১৭ বছরেও অটুট অলি তালুকদার, পাইকুরাটিতে যুবদলের সক্রিয় মুখ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ৩ নম্বর পাইকুরাটি ইউনিয়নে বিএনপির যুবদলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকার দাবি করেছেন অলিউজ্জামান তালুকদার অলি। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা, হয়রানি ও নানা চাপের মধ্যেও তিনি দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।বর্তমানে তিনি ৩ নম্বর পাইকুরাটি ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ধর্মপাশা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সম্মানিত সদস্য এবং পাইকুরাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময় অনেকেই মাঠের রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেলেও অলি তালুকদার সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ধরে রেখেছেন। বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলেও দাবি তাঁদের।তবে মামলা, হামলা বা হয়রানির মতো অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট নথি ও আইনগত তথ্য ছাড়া কোনো ঘটনাকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও নথির ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন।অলি তালুকদারের রাজনৈতিক সহকর্মীরা মনে করেন, রাজনীতিতে পদ-পদবির পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং কর্মীদের পাশে থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের দাবি, দুঃসময়ে দলের সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করলে তৃণমূল সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।আগামী দিনের রাজনীতি নিয়ে তাঁর অনুসারীরা জানান, তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করা, তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে কাজ করাকে গুরুত্ব দিতে চান অলি তালুকদার।বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের সমস্যা, যোগাযোগব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন ও দক্ষতা উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে।তৃণমূলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে পাইকুরাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তাঁর অনুসারীরা।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে তিনি কীভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সংগঠনে ভূমিকা রাখেন—সেদিকেই তাকিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল।