রিজিক বাড়ার ৭টি আমল: কোরআন-হাদিসে বরকতের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা
রিজিক শুধু খাবার বা অর্থসম্পদ নয়; বরং জীবন ধারণের সব উপকরণ ও আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামতই রিজিক হিসেবে বিবেচিত হয়। ইসলামী দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, মানুষের জীবনে রিজিক বৃদ্ধি ও বরকত লাভের জন্য কিছু নির্দিষ্ট আমলের কথা কোরআন ও হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।তাকওয়া অবলম্বন করাআল্লাহভীতি ও তাঁর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার মাধ্যমে রিজিকে বরকত আসে। কোরআনে বলা হয়েছে, যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।তওবা ও ইসতেগফার করানিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনা রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম মাধ্যম। কোরআনে নুহ (আ.)-এর ঘটনার মাধ্যমে বলা হয়েছে, ইসতেগফারের ফলে বৃষ্টি, সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি পায়।আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখাহাদিসে এসেছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করলে রিজিক প্রশস্ত হয় এবং আয়ুতে বরকত আসে।দরুদ শরিফ পাঠ করারাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠের মাধ্যমে দোয়া কবুল ও গুনাহ মাফের পাশাপাশি রিজিকে প্রশস্ততা আসে।দান-সদকা করাআল্লাহর পথে ব্যয় করলে সম্পদ কমে না বরং বৃদ্ধি পায় এবং এর বিনিময়ে আল্লাহ উত্তম রিজিক দান করেন।শুকরিয়া আদায় করাআল্লাহর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে রিজিক বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে কোরআনে।বিয়ে করাঅবিবাহিতদের বিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহ অভাব দূর করে রিজিকে প্রশস্ততা দান করেন।গুনাহ থেকে বেঁচে থাকাগুনাহ পরিহার করে নেক আমল করলে জীবনে বরকত ও রিজিকের প্রশস্ততা আসে।ইসলামী শিক্ষায় এসব আমলকে রিজিক বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জীবনে কল্যাণের পথে পরিচালিত করে।