হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৪
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ এবং সহকারী প্রক্টরকে মারধরের ঘটনায় মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: নওশের ওয়ান দিনাজপুর কোতোয়ালী থানায় এ মামলা করেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মো: আরাফাত হোসেন (পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ), তাসরিফ ইসলাম প্রান্তিক (একাউন্টিং বিভাগ), মো: নাইমুর রহমান দুর্জয় (কৃষি এবং যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগ), আসিফ হোসেন কাফি , মো: সোহেল রানা, মো: শাকির মাহমুদ (অর্থনীতি বিভাগ), মো: সামিউল ইসলাম শামসসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০০ থেকে ১২০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।এজাহারে বলা হয়, মঙ্গলবার রাতে সামিউল ইসলাম শামসসহ অজ্ঞাতপরিচয় কতিপয় আসামিরা বিরোধ সৃষ্টি করে। এর জেরে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে দিনাজপুর কোতোয়ালী থানাধীন ১ নম্বর চেহেলগাহী ইউনিয়নের অন্তর্গত হাবিপ্রবির শহীদ নুর হোসেন হলের ভেতরে ওই আসামিরাসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০০ থেকে ১২০ জন আসামি পরস্পর যোগসাজোশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হল দখলের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে এবং হলের মসজিদের জানালা, সিসিটিভি ক্যামেরাসহ হলের অন্য সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে।এজাহারে আরো বলা হয়, হলে ভাঙচুরের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: নওশের ওয়ান ও সহকারী প্রক্টর মো: মবিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় হামলাকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী প্রক্টর মবিনুল ইসলাম ও এহেসানুল কবির অর্ণবের ওপর আক্রমণ করে এবং কিলঘুষি, সামুরাই, লোহার রড দিয়ে মারধর এবং জখম করে।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: নওশের ওয়ান।মামলার বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নূরনবী জানান, মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।