রামপালে বেড়িবাঁধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত ৯৫ পরিবার পেল ত্রাণ
বাগেরহাটের রামপালের গৌরম্ভা ইউনিয়নের কৈগরদাশকাঠি এলাকার লিটুর চরে বেড়িবাঁধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত ৯৫ পরিবারকে সরকারি ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে শত শত ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে চাল, ডাল, তেলসহ প্যাকেটজাত খাবার বিতরণ করা হয়।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, গৌরম্ভা ইউনিয়নের প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান, গৌরম্ভা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাষ্টার মুজিবর রহমান জোয়ার্দারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে মরা পশুর নদী সংলগ্ন বেড়িবাঁধ ভেঙে লিটুর চরসহ আশপাশের এলাকার শত শত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। অনেক বসতঘর ও ঘরের আঙিনা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে রান্নাবান্নাসহ পানিবন্দি পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা বেড়িবাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও স্থায়ী সংস্কার করা হয়নি। ফলে জোয়ারের পানির চাপে বাঁধ ভেঙে মাছের ঘের ও আমনের বীজতলা তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।লিটুর চরে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ ও শত শত ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধটি দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বুধবার থেকে বাঁধ সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।