কুবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নবীনবরণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর
বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার উদ্যোগে ‘দায়িত্ব হস্তান্তর, নবীনবরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আহমেদ মাওলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম। এ ছাড়া বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল মামুন হোসেন, সাবেক সম্পাদকীয় পর্ষদ সদস্য নাদিয়া আফরোজ, কুবি শাখার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ রাজীবসহ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।আয়োজনে সংগঠনের নতুন সদস্যদের বরণ, নবগঠিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর এবং সদস্যদের লেখালেখি ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, তরুণ কলাম লেখক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি ও চিন্তাশীল চর্চার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। সংগঠনের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার এবং প্রকাশিত লেখাগুলো আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।তিনি বলেন, এটি ভবিষ্যৎ লেখক ও সাংবাদিক হওয়ার চর্চার জায়গা। নবীনদের উৎসাহিত করতে তাদের লেখাগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি নিয়মিত আলোচনা ও নির্দিষ্ট বিষয়ে লেখার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. আহমেদ মাওলা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মূলত দুই ধরনের-এক ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান উৎপাদন করে এবং অন্য ধরনের প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান জ্ঞান বিতরণ করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এখনও জ্ঞান বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি গবেষণা ও জ্ঞান উৎপাদনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।সংগঠনের সভাপতি ইয়াসিন ইবনে ফিরোজ বলেন, দায়িত্ব হস্তান্তর শুধু সাংগঠনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি চিন্তা, মূল্যবোধ ও দায়বদ্ধতার উত্তরাধিকার নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।
তিনি বলেন, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’-এই আহ্বানকে ধারণ করেই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। এ আয়োজন তরুণদের সৃজনশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং ভবিষ্যতের দক্ষ লেখক ও সচেতন নাগরিক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।