গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে এগিয়ে বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ অবস্থান
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে প্রকাশিত গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬-এ বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। ১৬৩টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৭তম, যা দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ স্থানে নিয়ে এসেছে।অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে মধ্যম শান্তির দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্কোর ২.২২৬, যেখানে স্কোর যত কম হয় দেশ তত বেশি শান্তিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থানগ্লোবাল র্যাঙ্কিং অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে পেছনে ফেলেছে। ভুটান (১৬তম) অঞ্চলের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।শ্রীলঙ্কা: ৬৭তমনেপাল: ১১১তমবাংলাদেশ: ১১৭তমভারত: ১২৭তমপাকিস্তান: ১৫২তমআফগানিস্তান: ১৫৭তমভুটানকে একমাত্র দক্ষিণ এশীয় দেশ হিসেবে উচ্চ শান্তির ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।বিশ্বে শীর্ষ ও নীচের অবস্থানএবারও বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড (স্কোর ১.১৬১)। এরপর রয়েছে নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, স্লোভেনিয়া ও আয়ারল্যান্ড।অন্যদিকে সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, সুদান, ডিআর কঙ্গো, ইউক্রেন ও ইসরায়েল।সূচকের ভিত্তি কীভাবে নির্ধারণ হয়প্রতিবেদনটি ২৩টি সূচকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে সামাজিক নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং সামরিকীকরণ। এ বছর ৯৯টি দেশের অবস্থার অবনতি এবং ৬২টি দেশের উন্নতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশের ঝুঁকি ও সতর্কতাপ্রতিবেদনে বাংলাদেশকে তুলনামূলকভাবে মধ্যম শান্তির দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও কিছু অর্থনৈতিক ঝুঁকির দিক তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় জিডিপির ১.৫ থেকে ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।