মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

ভোটের আনন্দে গাজাবাসী, দীর্ঘ বিরতিতে স্থানীয় নির্বাচন

ভোটের আনন্দে মেতেছে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা-এর বাসিন্দারা। দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তারা, যা প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো গাজার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।শনিবার (২৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।নির্বাচনের আওতায় গাজার দেইর আল-বালাহ শহরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় তাদের প্রশাসনিক কর্তৃত্বের দাবি আরও জোরালো হবে।স্থানীয় বাসিন্দারা ভোট দেওয়ার সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। দেইর আল-বালাহ শহরের বাসিন্দা আদহাম আল-বারদিনি বলেন, জন্মের পর থেকেই তিনি নির্বাচন সম্পর্কে শুনে এসেছেন এবং এবার অংশ নিতে পেরে তিনি আশাবাদী।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজা ও পশ্চিম তীর অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত করেছে। চলমান সংঘাত ও যুদ্ধবিরতির পরেও অঞ্চলটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।ইউরোপীয় ও আরব দেশগুলো মনে করছে, গাজায় আবারও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়া উচিত এবং গাজা, পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীর নিয়ে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন প্রয়োজন।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে গাজার সব এলাকায় ভোট আয়োজন সম্ভব হয়নি। বর্তমানে অঞ্চলটির কিছু অংশ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে এবং কিছু অংশ হামাসের শাসনে রয়েছে।ফিলিস্তিন নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গাজায় প্রায় ৭০ হাজারসহ মোট ১০ লাখের বেশি ভোটার এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এটি প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথম স্থানীয় নির্বাচন, যা ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

ভোটের আনন্দে গাজাবাসী, দীর্ঘ বিরতিতে স্থানীয় নির্বাচন