সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

কোরবানির আগে কক্সবাজারে গরু চুরি-ডাকাতির আতঙ্ক | রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন খামারিরা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কক্সবাজার জেলাজুড়ে গরু চুরি ও ডাকাতির আতঙ্ক বেড়ে গেছে। কোরবানির পশুর নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় খামারি ও সাধারণ গৃহস্থরা।চোরচক্রের হুমকি থেকে পশু রক্ষায় গ্রামীণ এলাকাগুলোতে রাতভর পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক এলাকায় মসজিদের মাইকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার সদর, ঈদগাঁও, রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও উখিয়ার বিভিন্ন গ্রামে এই চোর ও ডাকাত আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি। ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর দাম ও চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংঘবদ্ধ চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।খামারিরা জানান, গভীর রাতে খামার ও গোয়ালঘর লক্ষ্য করে অপরিচিত ব্যক্তি বা যানবাহন দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় যুব সমাজ বাঁশি, টর্চলাইট ও লাঠি নিয়ে পাহারা দিচ্ছে।রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির খামারি হেলাল উদ্দিন বলেন, লাখ টাকার গরু রয়েছে, তাই রাতে ঘুমানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা দল বেঁধে পাহারা দিচ্ছি।অন্যদিকে পিএমখালির খামারি শহিদুল ইসলাম জানান, এবার চোরদের নজর বেশি। যুবকরা রাতভর টহল দিচ্ছে, তবে প্রশাসনের আরও নজরদারি দরকার।ঝিলংজা ইউনিয়নের খামারি গিয়াস উদ্দিন বলেন, গ্রামে এখন প্রতিরাতে পাহারা চলছে এবং সন্দেহজনক যানবাহন দেখলেই থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।এদিকে পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবী পাহারা টিম গঠন, সিসিটিভি স্থাপন এবং রাতের টহল বাড়ানো হয়েছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের পরিদর্শক কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম বলেন, গরু চুরি ও ডাকাতি ঠেকাতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি চলছে।

কোরবানির আগে কক্সবাজারে গরু চুরি-ডাকাতির আতঙ্ক | রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন খামারিরা