সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা
সাতক্ষীরা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে সেবার মান ও কার্যক্রমের গতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা যোগদানের পর ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।সেবা প্রত্যাশীদের ভাষ্য, আগে নামপত্তনসহ বিভিন্ন ভূমি সংক্রান্ত কাজে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে তা অনেক দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী নামপত্তন মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা ২৮ দিন, সেখানে অনেক আবেদন ১৭ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।সরেজমিনে সদর এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে সেবা নিতে আসা ঘোনা গ্রামের ফারুক হোসেন, থানাঘাটা গ্রামের বাবলু, মাছখোলা গ্রামের মোস্তফা, মোশাররফ আলী ও দেবনগরের সাঈদসহ কয়েকজন জানান, বর্তমানে তারা সরাসরি কর্মকর্তার কাছ থেকে পরামর্শ ও সহযোগিতা পাচ্ছেন।তারা বলেন, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অফিসে এলে কর্মকর্তারা দ্রুত সমাধানের পথ দেখাচ্ছেন। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো জমা না দিতে পারলে কিছু ক্ষেত্রে বিলম্ব হয় বলেও জানান তারা।সেবা প্রত্যাশীরা আরও বলেন, এসিল্যান্ডের নির্দেশনায় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন। এতে ভূমি সেবা গ্রহণে তাদের ভোগান্তি কমেছে।এ বিষয়ে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা বলেন, দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভূমি সেবা দেওয়া সম্ভব। তিনি জানান, যোগদানের পর থেকে প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার নামপত্তনের আবেদন জমা পড়লেও বর্তমানে কোনো আবেদন পেন্ডিং নেই। তবে জটিল কিছু মামলা নিষ্পত্তিতে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়।তিনি আরও বলেন, আদালতে চলমান মামলার তদন্ত প্রতিবেদনও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকারি নিয়মনীতি মেনে ভূমি সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভূমি সেবায় কোনো অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগ থাকলে সরাসরি উপজেলা ভূমি অফিসে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।