নাসিরনগরে এমএ হান্নানকে গণসংবর্ধনা, প্রাক্তন ছাত্রদের ভালোবাসায় সিক্ত এমপি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র সংগঠন (প্রাছাস)-এর উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এমএ হান্নানকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।শনিবার সকালে কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রাছাসের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য এমএ হান্নানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।প্রাছাসের আহ্বায়ক আবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ হান্নান। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শাহীনা নাছরীন।সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে এমএ হান্নান বলেন, তিনি গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে গর্বিত। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রতিদান দিতে তিনি সবার সহযোগিতায় যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নাসিরনগরকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় রূপান্তরের জন্য কাজ করবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ জন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব কবি মফিজ উদ্দিন আহমেদ ফরিদ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ ছগির, নাসিরনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ রমজান আলী, গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সনজিৎ কুমার দেব, প্রাছাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কেএম খালেদ, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, প্রাক্তন শিক্ষক মারুফ আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আরাফাত উল্লাহ এবং নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আবু সারোয়ার।প্রাছাসের সদস্য সচিব আশরাফ উদ্দিন ও সৈয়দ এহসানুল কাদেরের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য হাফিজুর রহমান খান শিবলী। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতাসহ ৬ জনকে মরণোত্তর সম্মাননা এবং ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। শেষে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন ছাত্র ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।