বগুড়ায় বিমানবন্দরের পাশে ফ্লাইং একাডেমি, পাইলট তৈরিতে বড় উদ্যোগ
বগুড়ায় বিমানবন্দরের পাশাপাশি একটি ফ্লাইং একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।সোমবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ায় ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে আগামী ৭ তারিখে সংশ্লিষ্টরা পরিদর্শনে যাবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি নীলফামারী-তেও বিদ্যমান ছোট একাডেমিকে সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানান।তিনি বলেন, দেশে পাইলট তৈরি করতে ব্যয় বেশি হওয়ায় অনেকেই এ পেশায় আসতে পারেন না। আবার প্রশিক্ষিত পাইলটদের বড় অংশ বিদেশে চলে যান। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যও এভিয়েশন খাত উন্মুক্ত করতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে বিদেশি এয়ারলাইন্সে চাকরির সুযোগ বাড়বে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় থাকা বিমানবন্দরগুলোকে আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিটি জেলার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিদেশি সহায়তা বা পিপিপি মডেলে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।মনপুরা-কে সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করবে।বিমান বহর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। পাশাপাশি আরও কিছু বিমান লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানো যায়।
তিনি জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও সৈয়দপুর-এ উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হবে। এছাড়া কক্সবাজার-কে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে। আর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর।