চীন-মঙ্গোলিয়ার নতুন অঙ্গীকার: অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়
একে অপরের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও নিজস্ব উন্নয়ন ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন ও মঙ্গোলিয়া।মঙ্গোলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাতমুনখ বাৎসেৎসেগ এবং সফররত চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে রোববার (১৪ জুন) প্রকাশিত যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়।তিন দিনের সফরে দুই দেশ উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয়, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক আস্থা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছে।যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, কোনো পক্ষই অপর দেশের বিরুদ্ধে যায় এমন সামরিক বা রাজনৈতিক জোটে যোগ দেবে না। পাশাপাশি এমন কোনো তৃতীয় পক্ষের চুক্তিতেও যুক্ত হবে না, যা অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে।বৈঠকে মঙ্গোলিয়া ‘এক চীন’ নীতির প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে এবং ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’র বিরোধিতা করে। একই সঙ্গে তিব্বত, হংকং ও শিনজিয়াং-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়।দুই দেশ চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ এবং মঙ্গোলিয়ার ‘স্টেপ রোড’ কর্মসূচির আওতায় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে সম্মত হয়েছে।এ ছাড়া ফ্যাসিবাদ ও সামরিকবাদের বিরোধিতা, বিশ্ব শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার এবং চীন-মঙ্গোলিয়া-রাশিয়া অর্থনৈতিক করিডোরের গুরুত্বও তুলে ধরেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও), এপেক এবং ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্রমবর্ধমান ভূমিকারও প্রশংসা করেছে উভয় দেশ।