‘উপকূলের কণ্ঠ’ ফটো প্রদর্শনীর উদ্বোধন, জলবায়ু সংকট নিয়ে মঞ্জুর বার্তা
খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত নানা সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আইলা, সিডরসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর উপকূলবাসী এখনও প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।শুক্রবার (১৩ জুন) সকালে খুলনা নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা শীর্ষক ফটো প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রমের আলোকচিত্র নিয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, খুলনা এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রশাসক ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনসংগ্রাম, দুর্ভোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া ছবিগুলোতে বাস্তবভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি পরিবেশ রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা ও ব্যাপক সবুজায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে সকলকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহীম মো. তৈমুর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দিকা, ইউএনডিপির হেড অব কমিউনিকেশন মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার আব্দুল হান্নানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।পরে কেসিসি প্রশাসক প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া আলোকচিত্রী এবি রশিদের তোলা ছবিগুলো ঘুরে দেখেন।উল্লেখ্য, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে জিসিএফের অর্থায়নে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার পাঁচটি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো উপকূলীয় জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের জলবায়ু অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরি করা।সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে প্রায় ৭ লাখ ১৯ হাজার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।