রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ

কৃষিতে কীটনাশকের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশে বাড়ছে প্লাস্টিক বর্জ্য। ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট যত্রতত্র ফেলে দেওয়ায় কৃষিজমি, খাল-বিল, রাস্তার পাশসহ বিভিন্ন স্থানে দূষণ ছড়াচ্ছে।এ সমস্যা মোকাবিলায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ইন্ডোফিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে ‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’, যার আওতায় ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে কৃষকরা নির্ধারিত অর্থ বা প্রণোদনা পাবেন।উদ্যোক্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে কীটনাশকের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ১৯৭২ সালে দেশে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহার হলেও ২০২২ সালে তা বেড়ে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। বিপুল এই ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট বর্জ্য হিসেবে জমা হচ্ছে।‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’-এর আওতায় কৃষকরা ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট নির্ধারিত রিটেইলার ও ডিলার পয়েন্টে ফেরত দিতে পারবেন। পরে কোম্পানির প্রতিনিধিরা এসব বর্জ্য সংগ্রহ করে পরিবেশবান্ধবভাবে ধ্বংসের জন্য Geocycle-এর কাছে হস্তান্তর করবেন।ইন্ডোফিল বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড মো. শহিদুল আলম, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. রেজাউল ইসলাম, ম্যানুফেকচারিং অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার মো. হাফিজুর রহমান এবং সেলস এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ মো. গোলাম সরোয়ারের নেতৃত্বে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।উদ্যোক্তারা বলছেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষকদের ব্যবহৃত বোতল ও প্যাকেট ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠলে কৃষি বর্জ্যজনিত দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।কৃষকরাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, খালি কীটনাশকের বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে আর্থিক প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় কৃষকরাও সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ পাচ্ছেন।

খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ