রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

শিবির ছাড়ায় জামায়াতের হামলা! ভয়াবহ আক্রমণের অভিযোগ আহমদ আবদুল কাদেরের

ছাত্রশিবির ছেড়ে যুবশিবির গঠন করায় জামায়াতের কর্মীরা তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার চালিয়েছে এবং শারীরিক হামলাও করেছে বলে অভিযোগ করেছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।তিনি বলেন, ছাত্রশিবির থেকে বের হয়ে যুবশিবিরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর দেশে-বিদেশে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হয়। এমনকি তাকে মোসাদ ও সিআইএর এজেন্ট বলেও অপবাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।আহমদ আবদুল কাদের বলেন, যেখানে শিবিরের প্রভাব রয়েছে, সেখানেই আমার বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়ানো হয়েছে। এমনকি শারীরিকভাবেও আমাকে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে।তিনি আরও জানান, যুবশিবির ঠেকাতে জামায়াতের কর্মীরা চট্টগ্রামে গিয়ে তার ওপর হামলা চালায় এবং ওই ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। তার দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর চট্টগ্রামে গেলে হামলায় জড়িত একজন তার কাছে এসে বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন।শিবির সভাপতির পদ হারানোর নেপথ্যে ৭১ ইস্যুছাত্রশিবিরের সভাপতি পদ থেকে সরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ১৯৮২ সালে দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি তৎকালীন জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামীর কাছে ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন।তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীকে সমর্থনের বিষয়ে কোথায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আলবদরকে জামায়াত স্বীকৃতি দিয়েছিল কি না এসব বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর পাইনি।তার দাবি, এরপরই তার বিরুদ্ধে সংগঠনের ভেতরে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয় এবং সারা দেশে তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ করিনিআহমদ আবদুল কাদের জানান, তিনি ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি। পরে গোলাম আযমের উদ্যোগে একটি সমঝোতা বৈঠক হয়।তিনি বলেন, বৈঠকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তিনি শিবিরের দায়িত্ব শেষ করবেন এবং শাহজাহান চৌধুরী শপথ ভঙ্গের কাফফারা হিসেবে তিনটি রোজা রাখবেন। তবে ওই সিদ্ধান্ত সবাই মেনে নেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার পর থেকেই তার সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

শিবির ছাড়ায় জামায়াতের হামলা! ভয়াবহ আক্রমণের অভিযোগ আহমদ আবদুল কাদেরের