ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে চিকিৎসকদের দায়িত্ব, ফাঁকা মেডিকেল সেন্টার

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি::
111

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার কার্যত ফাঁকা থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের দেখা গেছে পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত অবস্থায়। এতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় ভর্তি পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর ক্যাম্পাস ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। ভর্তি পরীক্ষার ডিউটি শিডিউল অনুযায়ী ড. কুদরত-ই-খুদা একাডেমিক ভবনে অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আনোয়ার হোসেন ও সিনিয়র হাউজ সার্জন ডা. আসাদুজ্জামান জেমি। এছাড়া একাডেমিক বিল্ডিং-১ এ অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. কোরবান আলী।

পরীক্ষা কেন্দ্রে চিকিৎসক থাকলেও ক্যাম্পাসের স্থায়ী মেডিকেল সেন্টারে কোনো চিকিৎসক বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী না থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অসুস্থ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ইতোমধ্যে গতকাল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে একজন অভিভাবকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা না পাওয়াকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে হাজারো পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের উপস্থিতি থাকলেও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত না হওয়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, এমন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সময় ক্যাম্পাসে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল টিম থাকা অত্যন্ত জরুরি ছিল।

এ বিষয়ে ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমরাও পরিষ্কারভাবে জানি না পরীক্ষা কেন্দ্রে আমাদের নির্দিষ্ট কাজ কী। গত বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রের অভ্যর্থনায় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনজন চিকিৎসকই সেখানে ডিউটি পালন করি।”

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান-এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৬:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
৫৭১ বার পড়া হয়েছে

হাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে চিকিৎসকদের দায়িত্ব, ফাঁকা মেডিকেল সেন্টার

আপডেট সময় ০৬:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
111

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার কার্যত ফাঁকা থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের দেখা গেছে পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত অবস্থায়। এতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় ভর্তি পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর ক্যাম্পাস ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। ভর্তি পরীক্ষার ডিউটি শিডিউল অনুযায়ী ড. কুদরত-ই-খুদা একাডেমিক ভবনে অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আনোয়ার হোসেন ও সিনিয়র হাউজ সার্জন ডা. আসাদুজ্জামান জেমি। এছাড়া একাডেমিক বিল্ডিং-১ এ অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. কোরবান আলী।

পরীক্ষা কেন্দ্রে চিকিৎসক থাকলেও ক্যাম্পাসের স্থায়ী মেডিকেল সেন্টারে কোনো চিকিৎসক বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী না থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অসুস্থ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ইতোমধ্যে গতকাল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে একজন অভিভাবকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা না পাওয়াকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে হাজারো পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের উপস্থিতি থাকলেও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত না হওয়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, এমন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সময় ক্যাম্পাসে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল টিম থাকা অত্যন্ত জরুরি ছিল।

এ বিষয়ে ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমরাও পরিষ্কারভাবে জানি না পরীক্ষা কেন্দ্রে আমাদের নির্দিষ্ট কাজ কী। গত বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রের অভ্যর্থনায় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে তিনজন চিকিৎসকই সেখানে ডিউটি পালন করি।”

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান-এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।