ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে এসআই মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মোশফিকুর রহমান স্বপন, সুনামগঞ্জ::

ছবি: সংগৃহীত

136

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার এস. আই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে দিয়ে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর স্ত্রী রিছমা আক্তার।

শনিবার সকালে শহরের মুক্তারপাড়া এলাকায় আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে রিছমা আক্তার জানান, তার স্বামী সুজন মিয়া শান্তিগঞ্জ উপজেলার চিকারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা, আবাবিল কিন্ডারগার্টেনের সাবেক সভাপতি এবং ইন্টারনেট ক্যাবল ব্যবসায়ী।

তিনি অভিযোগ করেন, শান্তিগঞ্জ থানায় চাকরিরত অবস্থায় এস. আই মিজানুর রহমান স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রী সেলিনা বেগমকে দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করান। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নং-৫ (তারিখ: ১৮/৮/২০২৫) এ তার স্বামীকে দফায় দফায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

রিছমা আক্তারের দাবি, প্রবাসীর স্ত্রী সেলিনা বেগম তাদের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। পরে এসআই মিজানুরের প্ররোচনায় সেই টাকা আত্মসাতের জন্য ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার আপস-মীমাংসার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলা দেওয়ার পর এসআই মিজানুর দুই পুলিশ সদস্য নিয়ে তাদের বাড়ি থেকে একটি বিদেশি ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেন, যা ভিডিও ফুটেজে ধারণ করা আছে। এছাড়া প্রবাসীর আত্মীয়স্বজনরা নিয়মিত তাদের ইন্টারনেট লাইন কেটে দিয়ে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

রিছমা আক্তারের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআই মিজানুর ও প্রবাসীর স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের জের ধরেই তার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সুষ্ঠু তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় আমার স্বামী অপরাধী, তবে তার শাস্তি হোক। আর যদি সাজানো মামলার প্রমাণ মেলে, তবে দায়ীদেরও শাস্তি দিতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর শ্বশুর নুর মিয়া, ভাই হিরন মিয়া, চাচাতো ভাই আশিক মিয়া, ভাতিজি জাহিদা খাতুন, স্বপনা বেগম ও শ্যালক শাহীনুর মিয়া প্রমুখ।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১১:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৭৩৩ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জে এসআই মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ১১:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
136

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার এস. আই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে দিয়ে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর স্ত্রী রিছমা আক্তার।

শনিবার সকালে শহরের মুক্তারপাড়া এলাকায় আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে রিছমা আক্তার জানান, তার স্বামী সুজন মিয়া শান্তিগঞ্জ উপজেলার চিকারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা, আবাবিল কিন্ডারগার্টেনের সাবেক সভাপতি এবং ইন্টারনেট ক্যাবল ব্যবসায়ী।

তিনি অভিযোগ করেন, শান্তিগঞ্জ থানায় চাকরিরত অবস্থায় এস. আই মিজানুর রহমান স্থানীয় এক প্রবাসীর স্ত্রী সেলিনা বেগমকে দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করান। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নং-৫ (তারিখ: ১৮/৮/২০২৫) এ তার স্বামীকে দফায় দফায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

রিছমা আক্তারের দাবি, প্রবাসীর স্ত্রী সেলিনা বেগম তাদের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। পরে এসআই মিজানুরের প্ররোচনায় সেই টাকা আত্মসাতের জন্য ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার আপস-মীমাংসার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলা দেওয়ার পর এসআই মিজানুর দুই পুলিশ সদস্য নিয়ে তাদের বাড়ি থেকে একটি বিদেশি ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেন, যা ভিডিও ফুটেজে ধারণ করা আছে। এছাড়া প্রবাসীর আত্মীয়স্বজনরা নিয়মিত তাদের ইন্টারনেট লাইন কেটে দিয়ে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

রিছমা আক্তারের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআই মিজানুর ও প্রবাসীর স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের জের ধরেই তার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সুষ্ঠু তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় আমার স্বামী অপরাধী, তবে তার শাস্তি হোক। আর যদি সাজানো মামলার প্রমাণ মেলে, তবে দায়ীদেরও শাস্তি দিতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর শ্বশুর নুর মিয়া, ভাই হিরন মিয়া, চাচাতো ভাই আশিক মিয়া, ভাতিজি জাহিদা খাতুন, স্বপনা বেগম ও শ্যালক শাহীনুর মিয়া প্রমুখ।