শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

ফিফার সঞ্চয় থেকে বাংলাদেশকে ১ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব

ফিফার আর্থিক সঞ্চয় থেকে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব উঠেছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে ফিফার ২১১ সদস্য দেশের প্রত্যেকেই প্রায় ১ কোটি মার্কিন ডলার করে পেতে পারে। সে হিসাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে) পেতে পারে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দিয়েছেন উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার চেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি। তারা দুজনই ফিফার সহসভাপতি।প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের অর্থচক্রে ফিফার আর্থিক সঞ্চয় থেকে প্রায় ২১০ কোটি মার্কিন ডলার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হবে। এতে ফিফার ২১১ সদস্যের প্রত্যেকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে পেতে পারে।এই অর্থ বর্তমান ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ কর্মসূচির বরাদ্দের অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থটি অবকাঠামো নির্মাণ, প্রশিক্ষণ ও সামগ্রিক ফুটবল উন্নয়নে ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।চেফেরিন ও মন্তাগলিয়ানির দাবি, ২০২৩-২৬ অর্থচক্র শেষে ফিফার সঞ্চয় প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ হতে পারে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ২১০ কোটি ডলার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিতরণের পরও পরবর্তী অর্থচক্রে ফিফার সঞ্চয় নিরাপদ পর্যায়ে থাকবে।তবে প্রস্তাবটি এখনো অনুমোদন পায়নি। অর্থ ছাড়ের আগে ফিফার আর্থিক অবস্থার স্বাধীন পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন দুই সহসভাপতি। সেই পর্যালোচনার পর বিষয়টি ফিফা কাউন্সিলে আলোচনার জন্য তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।সম্প্রতি বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার অংশীদারত্ব বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে সংস্থাটির ভেতরে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। এরপরই ফিফার সঞ্চয়ের একটি অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে সরাসরি দেওয়ার প্রস্তাব সামনে এসেছে।প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নেও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ অর্থ পাওয়া নির্ভর করছে ফিফার পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব অনুমোদনের ওপর। এ বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফিফার সঞ্চয় থেকে বাংলাদেশকে ১ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব