২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সংগঠন ‘উই লাভ বিডি’ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনমত গঠনের উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ২ আগস্ট মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে বিজ্ঞাপন আকারে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে শেখ হাসিনার পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতা, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ ও সংস্কারের দাবি তুলে ধরা হয়। এসব বক্তব্য ছিল চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনের অবস্থান ও অভিযোগ।
চিঠির শুরুতে বাংলাদেশের তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের ওপর গুলি, হত্যা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে সংগঠনটি এর সমালোচনা করে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে চিঠিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ হিসেবে চিহ্নিত করার বক্তব্যেরও সমালোচনা করা হয়। পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের সাংবিধানিক অধিকারের কথা উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা, নির্বাচন, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল, নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগ এবং ব্যাংকিং খাত ও মুদ্রার মূল্য নিয়ে সংগঠনটির উদ্বেগের কথাও এতে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া ২০১৩ সালের একটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলা হয়। চিঠিতে এসব ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানানো হয়।
চিঠির শেষাংশে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান থাকলে তার এ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
চিঠিটি উই লাভ বিডি ইনকরপোরেশনের পক্ষে পাঠানো হয়। এতে আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া, শাফি এ খালেদ, হাবিব রহমতুল্লাহ, মোহাম্মদ শরীফ খান, মনসুর আহমেদ, ড. মুজিবুর রহমান, ড. মতিউর রহমান, সুলতান উজ জামান, মো. শাহেদুর রহমান, তাজ হাশমি, আফতাব মান্নান, বেলাল আহমেদসহ মোট ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে উল্লিখিত বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে; সেগুলোর সবকটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সংগঠন ‘উই লাভ বিডি’ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনমত গঠনের উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ২ আগস্ট মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে বিজ্ঞাপন আকারে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে শেখ হাসিনার পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতা, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ ও সংস্কারের দাবি তুলে ধরা হয়। এসব বক্তব্য ছিল চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনের অবস্থান ও অভিযোগ।
চিঠির শুরুতে বাংলাদেশের তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের ওপর গুলি, হত্যা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে সংগঠনটি এর সমালোচনা করে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে চিঠিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ হিসেবে চিহ্নিত করার বক্তব্যেরও সমালোচনা করা হয়। পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের সাংবিধানিক অধিকারের কথা উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা, নির্বাচন, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল, নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগ এবং ব্যাংকিং খাত ও মুদ্রার মূল্য নিয়ে সংগঠনটির উদ্বেগের কথাও এতে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া ২০১৩ সালের একটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলা হয়। চিঠিতে এসব ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানানো হয়।
চিঠির শেষাংশে শেখ হাসিনাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান থাকলে তার এ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
চিঠিটি উই লাভ বিডি ইনকরপোরেশনের পক্ষে পাঠানো হয়। এতে আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া, শাফি এ খালেদ, হাবিব রহমতুল্লাহ, মোহাম্মদ শরীফ খান, মনসুর আহমেদ, ড. মুজিবুর রহমান, ড. মতিউর রহমান, সুলতান উজ জামান, মো. শাহেদুর রহমান, তাজ হাশমি, আফতাব মান্নান, বেলাল আহমেদসহ মোট ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে উল্লিখিত বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে; সেগুলোর সবকটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
