নওগাঁর ধামইরহাটে সরকারি আদেশ অমান্য করে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাসের চারা উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ‘মাওয়া নার্সারি’র বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে নার্সারি মালিকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার ৩ নম্বর আলমপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বাজারে প্রায় ৫ শতাংশ জমিতে ইউক্যালিপটাসের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। নার্সারিটির নিবন্ধন নম্বর ০০০৩।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নার্সারি মালিককে জরিমানা করা হয়েছিল। তবে সেই জরিমানার পরও চারা উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে নার্সারিতে গেলে মালিক মো. রুহুল আমিন স্বপন আপত্তি জানান। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, চারা উৎপাদন ও বিক্রি তিনি চালিয়ে যাবেন।
একপর্যায়ে তার নির্দেশে কর্মচারীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া এবং হাত-পা বেঁধে ফেলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে সাংবাদিকরা নার্সারি থেকে চলে আসার সময় নার্সারি মালিক তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ধামইরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে নার্সারি মালিকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাটে সরকারি আদেশ অমান্য করে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাসের চারা উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ‘মাওয়া নার্সারি’র বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে নার্সারি মালিকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার ৩ নম্বর আলমপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বাজারে প্রায় ৫ শতাংশ জমিতে ইউক্যালিপটাসের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। নার্সারিটির নিবন্ধন নম্বর ০০০৩।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নার্সারি মালিককে জরিমানা করা হয়েছিল। তবে সেই জরিমানার পরও চারা উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে নার্সারিতে গেলে মালিক মো. রুহুল আমিন স্বপন আপত্তি জানান। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, চারা উৎপাদন ও বিক্রি তিনি চালিয়ে যাবেন।
একপর্যায়ে তার নির্দেশে কর্মচারীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া এবং হাত-পা বেঁধে ফেলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে সাংবাদিকরা নার্সারি থেকে চলে আসার সময় নার্সারি মালিক তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ধামইরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে নার্সারি মালিকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
