জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ৫২তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের বিষয়টি জানান সুমাইয়া।
পোস্টে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি তার রাজনৈতিক বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হচ্ছে না।
তবে তার পদত্যাগকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানো হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন সুমাইয়া। তিনি এটিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক রাজনীতি থেকে সাময়িক বিরতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, পদটি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নয়। পদে না থেকেও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করতে চান তিনি।
নিজের ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দেওয়া এক জবাবেও তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিবাদ করলে বহিষ্কারই খেতে হয়। বহিষ্কার থেকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো না?’

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ৫২তম আবর্তনের শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের বিষয়টি জানান সুমাইয়া।
পোস্টে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস থেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি তার রাজনৈতিক বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হচ্ছে না।
তবে তার পদত্যাগকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানো হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন সুমাইয়া। তিনি এটিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক রাজনীতি থেকে সাময়িক বিরতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, পদটি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নয়। পদে না থেকেও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করতে চান তিনি।
নিজের ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দেওয়া এক জবাবেও তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিবাদ করলে বহিষ্কারই খেতে হয়। বহিষ্কার থেকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো না?’
