কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আহত অবস্থায় একটি বিরল প্রজাতির হিমালয়ান গৃধিনী শকুন উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। গত ৫ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার রাজারহাট সদর ইউনিয়নের হরিশ্বরতালুক এলাকা থেকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়। বিরল এই পাখিটি দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় উৎসুক মানুষ।
স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে শকুনটি উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে শকুনটিকে রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
হিমালয় অঞ্চল থেকে আসে শীতের অতিথি
রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শকুনটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। শীত মৌসুমে হিমালয় অঞ্চল থেকে কিছু শকুন বাংলাদেশে আসে।
কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদিকুল ইসলাম জানান, শকুনটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে লোকালয়ে আশ্রয়
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হিমালয়ান গৃধিনী একটি পরিযায়ী শকুন। শীত মৌসুমে হিমালয় ও এর আশপাশের অঞ্চল থেকে এসব শকুন বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার কারণে কোনো কোনো শকুন দুর্বল বা ক্লান্ত হয়ে লোকালয়ে আশ্রয় নিতে পারে।
এদিকে বন্যপ্রাণী অসুস্থ, আহত কিংবা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় দেখলে নিজে ধরার চেষ্টা না করে বিরক্ত না করার আহ্বান জানিয়েছে বন বিভাগ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত বন বিভাগকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আহত অবস্থায় একটি বিরল প্রজাতির হিমালয়ান গৃধিনী শকুন উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। গত ৫ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার রাজারহাট সদর ইউনিয়নের হরিশ্বরতালুক এলাকা থেকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়। বিরল এই পাখিটি দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় উৎসুক মানুষ।
স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে শকুনটি উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে শকুনটিকে রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
হিমালয় অঞ্চল থেকে আসে শীতের অতিথি
রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শকুনটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। শীত মৌসুমে হিমালয় অঞ্চল থেকে কিছু শকুন বাংলাদেশে আসে।
কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদিকুল ইসলাম জানান, শকুনটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে লোকালয়ে আশ্রয়
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হিমালয়ান গৃধিনী একটি পরিযায়ী শকুন। শীত মৌসুমে হিমালয় ও এর আশপাশের অঞ্চল থেকে এসব শকুন বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার কারণে কোনো কোনো শকুন দুর্বল বা ক্লান্ত হয়ে লোকালয়ে আশ্রয় নিতে পারে।
এদিকে বন্যপ্রাণী অসুস্থ, আহত কিংবা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় দেখলে নিজে ধরার চেষ্টা না করে বিরক্ত না করার আহ্বান জানিয়েছে বন বিভাগ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত বন বিভাগকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
