চলতি অক্টোবরের মধ্যেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, তিন বছর ধরে দেশের অন্যতম বড় নিয়োগ পরীক্ষা এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধনের কোনো সার্কুলার নেই। কোনো টালবাহানা না করে অক্টোবরেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
প্রশাসনিক জটিলতার কারণ দেখিয়ে বারবার বিজ্ঞপ্তি আটকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া এবং সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সমালোচনা করেন ডাকসু ভিপি।
তার ভাষ্য, এত বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য থাকার পরও নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি আটকে থাকায় চাকরিপ্রার্থীরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের বহন করতে হবে কেন এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তার মতে, একদিকে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে, অন্যদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের বয়স ও সুযোগ দুটিই চলে যাচ্ছে।
তার অভিযোগ, রোববার রূপনগর এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশনরত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশের অশালীন আচরণ, মোবাইল ফোন তল্লাশি এবং গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েন তিনি।
খান জসিমের অভিযোগ, মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান তার পরিচয় জানার পরও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করেন। তিনি জুলাই আন্দোলনে এক চোখ হারানোর বিষয়টি জানালে ওসি তাকে ‘কালো শক্তি’ বলে আখ্যা দেন এবং স্থান ত্যাগ না করলে গ্রেপ্তারের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন জসিম।
তবে মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার দাবি করেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার ভাষ্য, সেখানে অল্প কিছু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের ন্যায্য দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান ডাকসু ভিপি।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
চলতি অক্টোবরের মধ্যেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, তিন বছর ধরে দেশের অন্যতম বড় নিয়োগ পরীক্ষা এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধনের কোনো সার্কুলার নেই। কোনো টালবাহানা না করে অক্টোবরেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
প্রশাসনিক জটিলতার কারণ দেখিয়ে বারবার বিজ্ঞপ্তি আটকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া এবং সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সমালোচনা করেন ডাকসু ভিপি।
তার ভাষ্য, এত বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য থাকার পরও নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি আটকে থাকায় চাকরিপ্রার্থীরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের বহন করতে হবে কেন এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
তার মতে, একদিকে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে, অন্যদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের বয়স ও সুযোগ দুটিই চলে যাচ্ছে।
তার অভিযোগ, রোববার রূপনগর এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশনরত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশের অশালীন আচরণ, মোবাইল ফোন তল্লাশি এবং গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েন তিনি।
খান জসিমের অভিযোগ, মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান তার পরিচয় জানার পরও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করেন। তিনি জুলাই আন্দোলনে এক চোখ হারানোর বিষয়টি জানালে ওসি তাকে ‘কালো শক্তি’ বলে আখ্যা দেন এবং স্থান ত্যাগ না করলে গ্রেপ্তারের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন জসিম।
তবে মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার দাবি করেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার ভাষ্য, সেখানে অল্প কিছু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের ন্যায্য দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান ডাকসু ভিপি।
