প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
অক্টোবরে এনটিআরসিএ বিজ্ঞপ্তি চান সাদিক কায়েম
চেকপোস্ট নিউজ, ||
চলতি অক্টোবরের মধ্যেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, তিন বছর ধরে দেশের অন্যতম বড় নিয়োগ পরীক্ষা এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধনের কোনো সার্কুলার নেই। কোনো টালবাহানা না করে অক্টোবরেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানান তিনি।সাদিক কায়েম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এনটিআরসিএ ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু এরপর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি।প্রশাসনিক জটিলতার কারণ দেখিয়ে বারবার বিজ্ঞপ্তি আটকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া এবং সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সমালোচনা করেন ডাকসু ভিপি।তার ভাষ্য, এত বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য থাকার পরও নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি আটকে থাকায় চাকরিপ্রার্থীরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় তরুণ চাকরিপ্রার্থীদের বহন করতে হবে কেন এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত আইএমএফের ‘ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ সাময়িকীর একটি প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার উদ্বেগজনক।তার মতে, একদিকে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে, অন্যদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের বয়স ও সুযোগ দুটিই চলে যাচ্ছে।এদিকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের অনশন কর্মসূচিতেও সংহতি জানিয়েছেন ডাকসুর আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক খান জসিম।তার অভিযোগ, রোববার রূপনগর এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশনরত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশের অশালীন আচরণ, মোবাইল ফোন তল্লাশি এবং গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েন তিনি।খান জসিমের অভিযোগ, মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান তার পরিচয় জানার পরও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করেন। তিনি জুলাই আন্দোলনে এক চোখ হারানোর বিষয়টি জানালে ওসি তাকে ‘কালো শক্তি’ বলে আখ্যা দেন এবং স্থান ত্যাগ না করলে গ্রেপ্তারের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন জসিম।তবে মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার দাবি করেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার ভাষ্য, সেখানে অল্প কিছু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।ঘটনার পর এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, যৌক্তিক দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সংহতি জানাতে যাওয়া একজন নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধির সঙ্গে পুলিশের এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের ন্যায্য দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান ডাকসু ভিপি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত