নীলফামারীর সৈয়দপুরে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা সোহাগ ও তার স্ত্রী শেফালী এবং সহযোগী মুরাদের সংঘবদ্ধ হামলায় ৫ জন নারী গুরুত্বরভাবে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে শহরের বাঁশবাড়ী সাদরা লেন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। এতে আহতরা হলেন, মানিকের স্ত্রী মর্জিনা (৪০), তুসারের স্ত্রী শামীমা (৩০), শাহ আলীর স্ত্রী শিল্পী (২৮), রিয়াজুলের স্ত্রী রেশমা (৩৫) ও মঙ্গলুর স্ত্রী খায়রুন নেসা (৫১)।
আহতদের মধ্যে ৪ জনকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং খায়রুন নেসাকে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি জানান, সোহাগ, শেফালী ও মুরাদ অতর্কিত হামলা করে বাঁশ ও কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে। এতে মাথা ও হাতে কাটা ও ফোলা জখম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মূলত: তাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে অভিযোগ করার কারণেই তারা বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে এই হাৃমলা চালিয়েছে। এসময় তারা অকথ্য গালিগালাজ করাসহ প্রাণে মেরে ফেলার ও মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেয়।
এব্যাপারে শেফালী সরকার বলেন, আমরা হামলা বা মারধর করিনি। বরং তারাই আমাদের বাড়িতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। আমরা শুধু তা প্রতিহত করেছি। এতে কেউ আহত হয়ে থাকলে তা আমাদের জানা নাই। আর মাদক বিক্রির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ কোন ভাবেই সঠিক নয়।
বরং আমার স্বামী মাদক সেবন করতো। তাকে ওই পথ থেকে ফিরিয়ে এনেছি। কিন্তু যারা তাকে মাদকাসক্ত করেছিল তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যে অভিযোগে আমাদেরকে ব্লাক মেইল করে আসছে। এর প্রতিবাদ করায় মব সৃষ্টি করে আমাদের উপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
গত শনিবার (১১ অক্টোবর) মাদক বিক্রির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে আমাদের অনুপস্থিতিতে বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে দোকানের মালামাল লুট করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারের আহ্বানে বিরত হয়েছি।
অথচ এখন আবার হামলাকারীরাই আমাদের বিভিন্নভাবে তাচ্ছিল্য করে চলেছে। এর প্রতিবাদ করায় আবারও মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে যে, ওই ঘটনার জেরে আজ পাল্টা হামলার এই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বিষয়টা সঠিক নয়।
এদিকে এই পাল্টা পাল্টি হামলার ঘটনায় এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আবারও বড় ধরনের কোন সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক ও ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি এবিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা সোহাগ ও তার স্ত্রী শেফালী এবং সহযোগী মুরাদের সংঘবদ্ধ হামলায় ৫ জন নারী গুরুত্বরভাবে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে শহরের বাঁশবাড়ী সাদরা লেন এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। এতে আহতরা হলেন, মানিকের স্ত্রী মর্জিনা (৪০), তুসারের স্ত্রী শামীমা (৩০), শাহ আলীর স্ত্রী শিল্পী (২৮), রিয়াজুলের স্ত্রী রেশমা (৩৫) ও মঙ্গলুর স্ত্রী খায়রুন নেসা (৫১)।
আহতদের মধ্যে ৪ জনকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং খায়রুন নেসাকে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি জানান, সোহাগ, শেফালী ও মুরাদ অতর্কিত হামলা করে বাঁশ ও কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে। এতে মাথা ও হাতে কাটা ও ফোলা জখম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মূলত: তাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে অভিযোগ করার কারণেই তারা বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে এই হাৃমলা চালিয়েছে। এসময় তারা অকথ্য গালিগালাজ করাসহ প্রাণে মেরে ফেলার ও মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেয়।
এব্যাপারে শেফালী সরকার বলেন, আমরা হামলা বা মারধর করিনি। বরং তারাই আমাদের বাড়িতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। আমরা শুধু তা প্রতিহত করেছি। এতে কেউ আহত হয়ে থাকলে তা আমাদের জানা নাই। আর মাদক বিক্রির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ কোন ভাবেই সঠিক নয়।
বরং আমার স্বামী মাদক সেবন করতো। তাকে ওই পথ থেকে ফিরিয়ে এনেছি। কিন্তু যারা তাকে মাদকাসক্ত করেছিল তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যে অভিযোগে আমাদেরকে ব্লাক মেইল করে আসছে। এর প্রতিবাদ করায় মব সৃষ্টি করে আমাদের উপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
গত শনিবার (১১ অক্টোবর) মাদক বিক্রির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে আমাদের অনুপস্থিতিতে বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়ে দোকানের মালামাল লুট করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারের আহ্বানে বিরত হয়েছি।
অথচ এখন আবার হামলাকারীরাই আমাদের বিভিন্নভাবে তাচ্ছিল্য করে চলেছে। এর প্রতিবাদ করায় আবারও মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে যে, ওই ঘটনার জেরে আজ পাল্টা হামলার এই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বিষয়টা সঠিক নয়।
এদিকে এই পাল্টা পাল্টি হামলার ঘটনায় এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আবারও বড় ধরনের কোন সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক ও ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি এবিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
