জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে আবেদন করেছেন আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া আসনটিতে দলের প্রার্থী হতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেঘনা আলম।
তিনি লেখেন, ‘জনগণের সমর্থন নিয়ে, জনগণের সেবার উদ্দেশ্যে, শূন্য ঘোষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে আজ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।’
বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে মেঘনা
মেঘনা আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন তিনি পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রায় ৭০ জন নারী নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে। ফলে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে মেঘনা আলমকে একাধিক প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।
কেন শূন্য হলো সংরক্ষিত নারী আসন?
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর গত ১ অক্টোবর পদত্যাগ করেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি পদত্যাগ করেন। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
১২ নভেম্বর উপনির্বাচন
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কে মনোনয়ন পাবেন, তা নির্ধারণে দলীয় সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আগের নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৬০৮ ভোট
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মেঘনা আলম। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি পেয়েছিলেন ৬০৮ ভোট।
সরাসরি নির্বাচনে কম ভোট পাওয়ার পর এবার সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। তবে সাধারণ আসনের সরাসরি নির্বাচন ও সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনপ্রক্রিয়া এক নয়। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শেষ পর্যন্ত কি এমপি হতে পারবেন মেঘনা আলম?
মনোনয়নপত্র জমা দিলেই প্রার্থী হওয়া বা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া নিশ্চিত হয় না। বিএনপি তাঁকে মনোনয়ন দেবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। দলীয় মনোনয়ন পেলে এবং নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে তাঁর সংসদে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে মেঘনা আলমের এমপি হওয়া নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে আবেদন করেছেন আলোচিত মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া আসনটিতে দলের প্রার্থী হতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেঘনা আলম।
তিনি লেখেন, ‘জনগণের সমর্থন নিয়ে, জনগণের সেবার উদ্দেশ্যে, শূন্য ঘোষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে আজ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।’
বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে মেঘনা
মেঘনা আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন তিনি পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রায় ৭০ জন নারী নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে। ফলে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে মেঘনা আলমকে একাধিক প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।
কেন শূন্য হলো সংরক্ষিত নারী আসন?
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর গত ১ অক্টোবর পদত্যাগ করেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি পদত্যাগ করেন। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
১২ নভেম্বর উপনির্বাচন
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর এই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কে মনোনয়ন পাবেন, তা নির্ধারণে দলীয় সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আগের নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৬০৮ ভোট
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মেঘনা আলম। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি পেয়েছিলেন ৬০৮ ভোট।
সরাসরি নির্বাচনে কম ভোট পাওয়ার পর এবার সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। তবে সাধারণ আসনের সরাসরি নির্বাচন ও সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনপ্রক্রিয়া এক নয়। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শেষ পর্যন্ত কি এমপি হতে পারবেন মেঘনা আলম?
মনোনয়নপত্র জমা দিলেই প্রার্থী হওয়া বা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া নিশ্চিত হয় না। বিএনপি তাঁকে মনোনয়ন দেবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। দলীয় মনোনয়ন পেলে এবং নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে তাঁর সংসদে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে মেঘনা আলমের এমপি হওয়া নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
