শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার

মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

মানবতার কল্যাণ, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। বাংলাদেশের আবহমান ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সৌন্দর্যও এখানেই।

অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক দুর্গোৎসব

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হিন্দু ধর্মমতে জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালনের প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সত্য ও সুন্দরের আরাধনা এবং অশুভ শক্তির বিনাশের এই তাৎপর্য শারদীয় দুর্গোৎসবকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।

ধর্মীয় সম্প্রীতিই বাংলাদেশের ঐতিহ্য

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করে আসছেন। এই বহুত্ববাদী সংস্কৃতি দেশের দীর্ঘদিনের সামাজিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের অংশ।

ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক আরও বিকশিত হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গণতন্ত্র ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার

তারেক রহমান বলেন, বহু প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের কাজ।

দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের অঙ্গীকার বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির চর্চার মধ্য দিয়েই দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হবে।

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এবং নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে দুর্গাপূজার উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বাণীতে ধর্মীয় স্বাধীনতা, নাগরিকের নিরাপত্তা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

#তারেকরহমান #ধর্মীয়সম্প্রীতি #শারদীয়দুর্গাপূজা

চেকপোস্ট

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের মূল শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মানবতার কল্যাণ, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। বাংলাদেশের আবহমান ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সৌন্দর্যও এখানেই।

অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক দুর্গোৎসব

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হিন্দু ধর্মমতে জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সৃষ্টিকে লালনের প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সত্য ও সুন্দরের আরাধনা এবং অশুভ শক্তির বিনাশের এই তাৎপর্য শারদীয় দুর্গোৎসবকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।

ধর্মীয় সম্প্রীতিই বাংলাদেশের ঐতিহ্য

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে পালন করে আসছেন। এই বহুত্ববাদী সংস্কৃতি দেশের দীর্ঘদিনের সামাজিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের অংশ।

ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক আরও বিকশিত হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গণতন্ত্র ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার

তারেক রহমান বলেন, বহু প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের কাজ।

দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের অঙ্গীকার বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির চর্চার মধ্য দিয়েই দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হবে।

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে এবং নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে দুর্গাপূজার উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বাণীতে ধর্মীয় স্বাধীনতা, নাগরিকের নিরাপত্তা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত