মসজিদে
মাদকবিরোধী আলোচনা, গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, এসব কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়াই কি কাল হলো রাসেল মিয়ার? মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পর চার কেজি গাঁজা উদ্ধারের মামলায় তাঁকে আসামি করে পলাতক দেখানোর অভিযোগ উঠেছে মাধবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইউসুফ আলী মজুমদারের বিরুদ্ধে। ১২
জুলাই রুজু হওয়া ২৩/২৩৬ নম্বর মামলায় সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে রাসেলের আপন ভাগ্নে হানিফ মিয়া ও বড় ভাই
ইয়াসিন মিয়াকে। এর
মধ্যে বড় ভাই ইয়াসিন মিয়া হবিগঞ্জ নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে হলফনামা দিয়ে দাবি করেছেন, মাদক উদ্ধারের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অন্যদিকে,
প্রথম সাক্ষীর বাবা হযরত আলীর দাবি, পুলিশ তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গেলেও তাঁরা নিজেরা মাদক উদ্ধার হতে দেখেননি। এসব
বক্তব্য ও মামলার এজাহারে
উল্লেখ করা সময়ের মধ্যে অসংগতি থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
হবিগঞ্জের
মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া গ্রামের এ ঘটনায় মাদকবিরোধী
সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা এবং সাক্ষীদের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের
অভিযোগ, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণেই রাসেলকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে
জানা
গেছে,
বেজুড়া
গ্রামে
মাদকের
বিস্তার নিয়ে
উদ্বিগ্ন ছিলেন
এলাকাবাসী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গ্রামের বাচ্চু
মিয়ার
ছেলে
রাসেল
মিয়া
(৩২)
কয়েকজন
যুবককে
সঙ্গে
নিয়ে
মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও
সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে
তোলার
উদ্যোগ
নেন।
এরই
অংশ
হিসেবে
চলতি
বছরের
১১
জুলাই,
শুক্রবার, দক্ষিণ
বেজুড়া
জামে
মসজিদে
জুমার
নামাজের পর
মাদকবিরোধী আলোচনা
অনুষ্ঠিত হয়।
এরআগে গ্রামবাসীর গণস্বাক্ষর সংগ্রহ
করে
মাদক
ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান
ও
আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবিতে
মাধবপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে
লিখিত
আবেদন
জমা
দেওয়া
হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি,
মাদকবিরোধী ওই
উদ্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার
পরই
রাসেলকে চার
কেজি
গাঁজা
উদ্ধারের একটি
মামলায়
আসামি
করা
হয়।
মামলায়
তাঁকে
পলাতক
দেখানো
হয়েছে
বলেও
অভিযোগ
রয়েছে।
এ
কারণে
মাদকবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে
মামলার
যোগসূত্র নিয়ে
সন্দেহ
প্রকাশ
করেছেন
স্থানীয়রা।
মামলার
এজাহারে উল্লেখ
করা
তথ্য
অনুযায়ী, মাদক
উদ্ধারের ঘটনার
সময়
ভোর
৪টা
৪০
মিনিট। এজাহারে দুইজন
সাধারণ
ব্যক্তির পাশাপাশি দুই
পুলিশ
সদস্যকে সাক্ষী
হিসেবে
উল্লেখ
করা
হয়েছে।
প্রথম
সাধারণ
সাক্ষী
হানিফ
মিয়া
রাসেলের আপন
ভাগ্নে। তাঁর
বাড়ি
ঘটনাস্থল থেকে
প্রায়
৪০০
গজ
দূরে
বলে
স্থানীয় সূত্রে
জানা
গেছে।
১৯
বছর
বয়সী
হানিফ
ওই
সময়
সেখানে
কী
কারণে
উপস্থিত ছিলেন,
তা
নিয়েও
প্রশ্ন
তুলেছেন এলাকাবাসী।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় সাক্ষী
ইয়াসিন
মিয়া
রাসেলের আপন
বড়
ভাই।
তাঁর
দাবি,
মাদক
উদ্ধারের বিষয়ে
তিনি
কিছুই
জানেন
না।
হবিগঞ্জ নোটারি
পাবলিকের কার্যালয়ে করা
হলফনামায় তিনি
উল্লেখ
করেছেন,
পুলিশের মিথ্যা
তথ্যের
ভিত্তিতে সাদা
কাগজে
তাঁর
স্বাক্ষর নেওয়া
হয়েছিল
বলে
তিনি
অভিযোগ
করছেন।
এজাহারে প্রথম
সাক্ষী
হিসেবে
উল্লেখ
করা
হানিফ
মিয়ার
বাবা
হযরত
আলী
জানান,
ঘটনাটি
আনুমানিক রাত
আড়াইটার দিকে
ঘটে। তিনি
বলেন,
ঘটনার
রাতে
তিনি
রাস্তায় ছিলেন। পুলিশ
তল্লাশি করার
সময়
তাঁর
ছেলে
হানিফকে সঙ্গে
নিয়ে
যায়।
হযরত
আলীর
ভাষ্য,
পুলিশ
যাওয়ার
সময়
তাঁদের
জানিয়েছিল যে
মাদক
উদ্ধার
হয়েছে।
কিন্তু
তাঁরা
নিজেরা
মাদক
উদ্ধার
হতে
দেখেননি।
অন্যদিকে, মামলার
এজাহারে ঘটনার
সময়
ভোর
৪টা
৪০
মিনিট
উল্লেখ
করা
হয়েছে।
হযরত
আলীর
বক্তব্যে রাত
আড়াইটার কথা
আসায়
ঘটনার
সময়
ও
পরিস্থিতি নিয়ে
প্রশ্ন
উঠেছে।
স্থানীয় ষাটোর্ধ্ব গেদু
মিয়া,
আম্বিয়া খাতুন,
শাওন
মিয়া
ও
জরিনা
বেগমসহ
অর্ধশতাধিক গ্রামবাসীর দাবি,
পুলিশের মাদক
উদ্ধারের কথিত
ঘটনা
সম্পর্কে তাঁরা
কিছুই
জানেন
না।
তাঁদের
ভাষ্য,
রাসেল
মাদকবিরোধী আবেদনে
তাঁদের
স্বাক্ষর নিয়েছিলেন। পরে
সেই
আবেদন
থানায়
জমা
দেওয়ার
পর
মাদক
ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার
পরিবর্তে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত
যুবকের
বিরুদ্ধে মামলা
করা
হয়েছে
বলে
তাঁরা
মনে
করছেন।
গ্রামের বাসিন্দা হাজী
জিতু
মিয়া
বলেন,
“কারও
দ্বারা
প্রভাবিত হয়ে
নিরপরাধ মানুষকে মামলায়
ফাঁসানো হলে
সাধারণ
মানুষের যাওয়ার
জায়গা
থাকবে
না।”
এলাকাবাসীর দাবি,
রাসেলের বিরুদ্ধে আনা
অভিযোগের সত্যতা
যাচাইয়ের পাশাপাশি মাদকবিরোধী আবেদন
জমা
দেওয়ার
পর
তাঁর
বিরুদ্ধে মামলা
করার
ঘটনাটিও খতিয়ে
দেখতে
হবে।
একই
সঙ্গে
প্রকৃত
মাদক
ব্যবসায়ীদের শনাক্ত
করে
আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি
জানিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে
জানতে
চাইলে
মামলার
বাদী
এসআই
মো.
ইউসুফ
আলী
মজুমদার বলেন,
মাদক
উদ্ধারের সময়
আশপাশের লোকজনকে ঘুম
থেকে
ডেকে
তুলে
বিষয়টি
জানানো
হয়েছিল।
তবে
আশপাশের লোকজনকে ডেকে
বিষয়টি
অবহিত
করা
হয়ে
থাকলে
তাঁদের
সাধারণ
সাক্ষী
হিসেবে
রাখা
হয়নি
কেন,
এমন
প্রশ্নের সরাসরি
জবাব
দেননি
তিনি।
এ
বিষয়ে
জানতে
মাধবপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি)’
সাথে
মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা
করা
হলেও
তিনি
ফোন
রিসিভ
করেননি। পরে
তাঁর
হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো
হলেও
এ
প্রতিবেদন লেখা
পর্যন্ত কোনো
প্রতিউত্তর পাওয়া
যায়নি।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
মসজিদে
মাদকবিরোধী আলোচনা, গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, এসব কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়াই কি কাল হলো রাসেল মিয়ার? মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পর চার কেজি গাঁজা উদ্ধারের মামলায় তাঁকে আসামি করে পলাতক দেখানোর অভিযোগ উঠেছে মাধবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইউসুফ আলী মজুমদারের বিরুদ্ধে। ১২
জুলাই রুজু হওয়া ২৩/২৩৬ নম্বর মামলায় সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে রাসেলের আপন ভাগ্নে হানিফ মিয়া ও বড় ভাই
ইয়াসিন মিয়াকে। এর
মধ্যে বড় ভাই ইয়াসিন মিয়া হবিগঞ্জ নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে হলফনামা দিয়ে দাবি করেছেন, মাদক উদ্ধারের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অন্যদিকে,
প্রথম সাক্ষীর বাবা হযরত আলীর দাবি, পুলিশ তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গেলেও তাঁরা নিজেরা মাদক উদ্ধার হতে দেখেননি। এসব
বক্তব্য ও মামলার এজাহারে
উল্লেখ করা সময়ের মধ্যে অসংগতি থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
হবিগঞ্জের
মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া গ্রামের এ ঘটনায় মাদকবিরোধী
সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা এবং সাক্ষীদের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের
অভিযোগ, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণেই রাসেলকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে
জানা
গেছে,
বেজুড়া
গ্রামে
মাদকের
বিস্তার নিয়ে
উদ্বিগ্ন ছিলেন
এলাকাবাসী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গ্রামের বাচ্চু
মিয়ার
ছেলে
রাসেল
মিয়া
(৩২)
কয়েকজন
যুবককে
সঙ্গে
নিয়ে
মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও
সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে
তোলার
উদ্যোগ
নেন।
এরই
অংশ
হিসেবে
চলতি
বছরের
১১
জুলাই,
শুক্রবার, দক্ষিণ
বেজুড়া
জামে
মসজিদে
জুমার
নামাজের পর
মাদকবিরোধী আলোচনা
অনুষ্ঠিত হয়।
এরআগে গ্রামবাসীর গণস্বাক্ষর সংগ্রহ
করে
মাদক
ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান
ও
আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবিতে
মাধবপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে
লিখিত
আবেদন
জমা
দেওয়া
হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি,
মাদকবিরোধী ওই
উদ্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার
পরই
রাসেলকে চার
কেজি
গাঁজা
উদ্ধারের একটি
মামলায়
আসামি
করা
হয়।
মামলায়
তাঁকে
পলাতক
দেখানো
হয়েছে
বলেও
অভিযোগ
রয়েছে।
এ
কারণে
মাদকবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে
মামলার
যোগসূত্র নিয়ে
সন্দেহ
প্রকাশ
করেছেন
স্থানীয়রা।
মামলার
এজাহারে উল্লেখ
করা
তথ্য
অনুযায়ী, মাদক
উদ্ধারের ঘটনার
সময়
ভোর
৪টা
৪০
মিনিট। এজাহারে দুইজন
সাধারণ
ব্যক্তির পাশাপাশি দুই
পুলিশ
সদস্যকে সাক্ষী
হিসেবে
উল্লেখ
করা
হয়েছে।
প্রথম
সাধারণ
সাক্ষী
হানিফ
মিয়া
রাসেলের আপন
ভাগ্নে। তাঁর
বাড়ি
ঘটনাস্থল থেকে
প্রায়
৪০০
গজ
দূরে
বলে
স্থানীয় সূত্রে
জানা
গেছে।
১৯
বছর
বয়সী
হানিফ
ওই
সময়
সেখানে
কী
কারণে
উপস্থিত ছিলেন,
তা
নিয়েও
প্রশ্ন
তুলেছেন এলাকাবাসী।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় সাক্ষী
ইয়াসিন
মিয়া
রাসেলের আপন
বড়
ভাই।
তাঁর
দাবি,
মাদক
উদ্ধারের বিষয়ে
তিনি
কিছুই
জানেন
না।
হবিগঞ্জ নোটারি
পাবলিকের কার্যালয়ে করা
হলফনামায় তিনি
উল্লেখ
করেছেন,
পুলিশের মিথ্যা
তথ্যের
ভিত্তিতে সাদা
কাগজে
তাঁর
স্বাক্ষর নেওয়া
হয়েছিল
বলে
তিনি
অভিযোগ
করছেন।
এজাহারে প্রথম
সাক্ষী
হিসেবে
উল্লেখ
করা
হানিফ
মিয়ার
বাবা
হযরত
আলী
জানান,
ঘটনাটি
আনুমানিক রাত
আড়াইটার দিকে
ঘটে। তিনি
বলেন,
ঘটনার
রাতে
তিনি
রাস্তায় ছিলেন। পুলিশ
তল্লাশি করার
সময়
তাঁর
ছেলে
হানিফকে সঙ্গে
নিয়ে
যায়।
হযরত
আলীর
ভাষ্য,
পুলিশ
যাওয়ার
সময়
তাঁদের
জানিয়েছিল যে
মাদক
উদ্ধার
হয়েছে।
কিন্তু
তাঁরা
নিজেরা
মাদক
উদ্ধার
হতে
দেখেননি।
অন্যদিকে, মামলার
এজাহারে ঘটনার
সময়
ভোর
৪টা
৪০
মিনিট
উল্লেখ
করা
হয়েছে।
হযরত
আলীর
বক্তব্যে রাত
আড়াইটার কথা
আসায়
ঘটনার
সময়
ও
পরিস্থিতি নিয়ে
প্রশ্ন
উঠেছে।
স্থানীয় ষাটোর্ধ্ব গেদু
মিয়া,
আম্বিয়া খাতুন,
শাওন
মিয়া
ও
জরিনা
বেগমসহ
অর্ধশতাধিক গ্রামবাসীর দাবি,
পুলিশের মাদক
উদ্ধারের কথিত
ঘটনা
সম্পর্কে তাঁরা
কিছুই
জানেন
না।
তাঁদের
ভাষ্য,
রাসেল
মাদকবিরোধী আবেদনে
তাঁদের
স্বাক্ষর নিয়েছিলেন। পরে
সেই
আবেদন
থানায়
জমা
দেওয়ার
পর
মাদক
ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার
পরিবর্তে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত
যুবকের
বিরুদ্ধে মামলা
করা
হয়েছে
বলে
তাঁরা
মনে
করছেন।
গ্রামের বাসিন্দা হাজী
জিতু
মিয়া
বলেন,
“কারও
দ্বারা
প্রভাবিত হয়ে
নিরপরাধ মানুষকে মামলায়
ফাঁসানো হলে
সাধারণ
মানুষের যাওয়ার
জায়গা
থাকবে
না।”
এলাকাবাসীর দাবি,
রাসেলের বিরুদ্ধে আনা
অভিযোগের সত্যতা
যাচাইয়ের পাশাপাশি মাদকবিরোধী আবেদন
জমা
দেওয়ার
পর
তাঁর
বিরুদ্ধে মামলা
করার
ঘটনাটিও খতিয়ে
দেখতে
হবে।
একই
সঙ্গে
প্রকৃত
মাদক
ব্যবসায়ীদের শনাক্ত
করে
আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি
জানিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে
জানতে
চাইলে
মামলার
বাদী
এসআই
মো.
ইউসুফ
আলী
মজুমদার বলেন,
মাদক
উদ্ধারের সময়
আশপাশের লোকজনকে ঘুম
থেকে
ডেকে
তুলে
বিষয়টি
জানানো
হয়েছিল।
তবে
আশপাশের লোকজনকে ডেকে
বিষয়টি
অবহিত
করা
হয়ে
থাকলে
তাঁদের
সাধারণ
সাক্ষী
হিসেবে
রাখা
হয়নি
কেন,
এমন
প্রশ্নের সরাসরি
জবাব
দেননি
তিনি।
এ
বিষয়ে
জানতে
মাধবপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি)’
সাথে
মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা
করা
হলেও
তিনি
ফোন
রিসিভ
করেননি। পরে
তাঁর
হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো
হলেও
এ
প্রতিবেদন লেখা
পর্যন্ত কোনো
প্রতিউত্তর পাওয়া
যায়নি।
