হবিগঞ্জের মাধবপুরের হাজারি ফিশারীর মালিক সোলেমান হাজারির সাজানো ৮০ লক্ষ টাকা লুটের মিথ্যা দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে ঘিলাতলী, হোসেনপুর ও মিঠাপুকুর গ্রামের বাসিন্দাসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের লোকজন অংশ নেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসীর অভিযোগ, শফিকুল ইসলাম স্বপন মিয়ার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতক জমির পুকুরে সোলেমান হাজারী ও তাঁর ভাইয়েরা জোরপূর্বক মাছ চাষ করছেন। পাশাপাশি পুকুরপাড়ের গাছ কাটার অভিযোগও তোলেন তারা।
ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম স্বপন মিয়ার দাবি, অতীতে মৌখিকভাবে পুকুরটি মাছ চাষের জন্য দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন কোনো টাকা পরিশোধ করা হয়নি। পরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তার আরও অভিযোগ, তাঁকে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা দাবি করেন, নতুন করে পুকুর ইজারা নেওয়া মাতু মিয়া, মুরাদ মিয়া ও ছামিদ পাঠানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোলেমান হাজারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে হিরন আলী মেম্বার, অহিদ মিয়া মেম্বার, ফালান মিয়া,জানু মিয়া,মাসুক মিয়া,আশিক মিয়াসহ অনেকেই বক্তব্য দেন। তারা পুকুরসংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে মাধবপুর থানা পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
পুকুরের মালিকানা, ইজারা এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুরের হাজারি ফিশারীর মালিক সোলেমান হাজারির সাজানো ৮০ লক্ষ টাকা লুটের মিথ্যা দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে ঘিলাতলী, হোসেনপুর ও মিঠাপুকুর গ্রামের বাসিন্দাসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের লোকজন অংশ নেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসীর অভিযোগ, শফিকুল ইসলাম স্বপন মিয়ার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতক জমির পুকুরে সোলেমান হাজারী ও তাঁর ভাইয়েরা জোরপূর্বক মাছ চাষ করছেন। পাশাপাশি পুকুরপাড়ের গাছ কাটার অভিযোগও তোলেন তারা।
ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম স্বপন মিয়ার দাবি, অতীতে মৌখিকভাবে পুকুরটি মাছ চাষের জন্য দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন কোনো টাকা পরিশোধ করা হয়নি। পরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তার আরও অভিযোগ, তাঁকে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা দাবি করেন, নতুন করে পুকুর ইজারা নেওয়া মাতু মিয়া, মুরাদ মিয়া ও ছামিদ পাঠানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোলেমান হাজারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে হিরন আলী মেম্বার, অহিদ মিয়া মেম্বার, ফালান মিয়া,জানু মিয়া,মাসুক মিয়া,আশিক মিয়াসহ অনেকেই বক্তব্য দেন। তারা পুকুরসংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে মাধবপুর থানা পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
পুকুরের মালিকানা, ইজারা এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
