সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মাধবপুরে রিজার্ভ বন থেকে সেগুন কাঠ পাচারের সময় ৪ টুকরো গোল কাঠসহ ভ্যান আটক

মাধবপুরে রিজার্ভ বন থেকে সেগুন কাঠ পাচারের সময় ৪ টুকরো গোল কাঠসহ ভ্যান আটক
ছবি: চেকপোস্ট

হবিগঞ্জের রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন মাধবপুর উপজেলার শাহপুর বন বিটের রিজার্ভ এলাকা থেকে পাচারের সময় চার টুকরো সেগুন গোল কাঠ ও একটি অটোরিকশা ভ্যান আটক করেছে বন বিভাগ। শালটিলা ও জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তারা যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব কাঠ আটক করেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শাহপুর বন বিট সংলগ্ন রিজার্ভ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রায় ৫.৩৫ ঘনফুট সেগুন গোল কাঠ অটোরিকশা ভ্যানে করে পাচারের সময় আটক করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শালটিলা বন বিটের ফরেস্ট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল সানী ও জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের ফরেস্ট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চার টুকরো সেগুন গোল কাঠ ও কাঠ পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিকশা ভ্যানটি জব্দ করা হয়।

তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, শাহপুর বন বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বনকর্মীর যোগসাজশে রিজার্ভ বন এলাকা থেকে বনজ সম্পদ পাচারের ঘটনা ঘটছে। অভিযোগকারীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, শাহজীবাজার ও রতনপুর বাজারসংলগ্ন রেললাইনের পূর্ব পাশে পাহাড়ি বনাঞ্চলের ছড়া থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ঘটনাও ঘটছে। তাদের দাবি, ভারী যানবাহনে করে বিপুল পরিমাণ বালু সরিয়ে নেওয়ার ফলে পাহাড়ি টিলা ধসে পড়ছে এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বালু উত্তোলনের কারণে টিলা ধসে পড়ে যেসব গাছ উপড়ে বা ভেঙে যায়, সেগুলো পরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে টুকরো করে করাতকলে চেরাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, রঘুনন্দন রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা করতে অবৈধ বালু উত্তোলন, বনজ সম্পদ পাচার ও গাছ কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর অভিযান প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

চেকপোস্ট

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬


মাধবপুরে রিজার্ভ বন থেকে সেগুন কাঠ পাচারের সময় ৪ টুকরো গোল কাঠসহ ভ্যান আটক

প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন মাধবপুর উপজেলার শাহপুর বন বিটের রিজার্ভ এলাকা থেকে পাচারের সময় চার টুকরো সেগুন গোল কাঠ ও একটি অটোরিকশা ভ্যান আটক করেছে বন বিভাগ। শালটিলা ও জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তারা যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব কাঠ আটক করেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শাহপুর বন বিট সংলগ্ন রিজার্ভ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রায় ৫.৩৫ ঘনফুট সেগুন গোল কাঠ অটোরিকশা ভ্যানে করে পাচারের সময় আটক করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শালটিলা বন বিটের ফরেস্ট কর্মকর্তা মোহাইমিনুল সানী ও জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের ফরেস্ট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চার টুকরো সেগুন গোল কাঠ ও কাঠ পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিকশা ভ্যানটি জব্দ করা হয়।

তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, শাহপুর বন বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বনকর্মীর যোগসাজশে রিজার্ভ বন এলাকা থেকে বনজ সম্পদ পাচারের ঘটনা ঘটছে। অভিযোগকারীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, শাহজীবাজার ও রতনপুর বাজারসংলগ্ন রেললাইনের পূর্ব পাশে পাহাড়ি বনাঞ্চলের ছড়া থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ঘটনাও ঘটছে। তাদের দাবি, ভারী যানবাহনে করে বিপুল পরিমাণ বালু সরিয়ে নেওয়ার ফলে পাহাড়ি টিলা ধসে পড়ছে এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বালু উত্তোলনের কারণে টিলা ধসে পড়ে যেসব গাছ উপড়ে বা ভেঙে যায়, সেগুলো পরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে টুকরো করে করাতকলে চেরাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, রঘুনন্দন রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চল রক্ষা করতে অবৈধ বালু উত্তোলন, বনজ সম্পদ পাচার ও গাছ কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর অভিযান প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত