জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে তার বাবা ও মাকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগে মাদারগঞ্জ উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের বীর লোটাবর এলাকার মো. মুর্শেদ (৪৪) ও তার স্ত্রী মোছা. ফুলেরা বেগমের (৪১) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর বাবা মো. মুর্শেদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরী নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার বাবা সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
কিশোরীর চিৎকারে তার মা ঘটনাস্থলে এসে তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া কিশোরীর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের আংটি তার মা নিয়ে নেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেছে, বিষয়টি তার চাচা আব্দুল মজিদকে জানানো হলেও তিনি তা গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের সত্যতা বা ঘটনার সঙ্গে কারও দায় নিশ্চিত হয়নি।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে তার বাবা ও মাকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগে মাদারগঞ্জ উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের বীর লোটাবর এলাকার মো. মুর্শেদ (৪৪) ও তার স্ত্রী মোছা. ফুলেরা বেগমের (৪১) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর বাবা মো. মুর্শেদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরী নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার বাবা সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
কিশোরীর চিৎকারে তার মা ঘটনাস্থলে এসে তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া কিশোরীর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি স্বর্ণের আংটি তার মা নিয়ে নেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেছে, বিষয়টি তার চাচা আব্দুল মজিদকে জানানো হলেও তিনি তা গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের সত্যতা বা ঘটনার সঙ্গে কারও দায় নিশ্চিত হয়নি।
