দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি না পাওয়ায় হতাশ কলকাতার মাছ ব্যবসায়ীরা। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি ইলিশ ভারতে পাঠানোর কোনো ছাড়পত্র মেলেনি। ফলে পূজার সময় কলকাতার বাজারে পদ্মা-মেঘনার ইলিশ পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
এর মধ্যে বাংলাদেশে ভারতের গুজরাট থেকে ইলিশ আমদানিও বন্ধ হয়ে গেছে। মৎস্য অধিদপ্তর ১০৩টি নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) বাতিল করায় ভারত থেকে ইলিশ আমদানি স্থগিত হয়েছে। গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫৫০ টন ইলিশ আমদানি হয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ জানান, তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইলিশ রপ্তানির অনুমতির আবেদন করেছিলেন। তবে এখনো কোনো অনুমতি পাওয়া যায়নি। একই সময়ে গুজরাট থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানিও বন্ধ হওয়ায় এবার পূজার মৌসুমে বাংলাদেশি ইলিশ পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশি ইলিশের জন্য ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ১৮টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। তবে রপ্তানির আগে দেশের অভ্যন্তরীণ ইলিশের সরবরাহ ও চাহিদা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ-ভারত ইলিশ বাণিজ্যে এবার দেখা দিয়েছে উল্টো চিত্র। একদিকে পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের অপেক্ষায় রয়েছেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের বাজারে ঘাটতি মেটাতে সাম্প্রতিক সময়ে গুজরাট থেকে ইলিশ এসেছে। ভারতীয় সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে।
কলকাতার ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, হাতে সময় কম থাকায় এবার দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি নাও আসতে পারে। ফলে পূজার মৌসুমে পদ্মার ইলিশের স্বাদ থেকে পশ্চিমবঙ্গের ক্রেতারা বঞ্চিত হতে পারেন।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি না পাওয়ায় হতাশ কলকাতার মাছ ব্যবসায়ীরা। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি ইলিশ ভারতে পাঠানোর কোনো ছাড়পত্র মেলেনি। ফলে পূজার সময় কলকাতার বাজারে পদ্মা-মেঘনার ইলিশ পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
এর মধ্যে বাংলাদেশে ভারতের গুজরাট থেকে ইলিশ আমদানিও বন্ধ হয়ে গেছে। মৎস্য অধিদপ্তর ১০৩টি নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) বাতিল করায় ভারত থেকে ইলিশ আমদানি স্থগিত হয়েছে। গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫৫০ টন ইলিশ আমদানি হয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ জানান, তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইলিশ রপ্তানির অনুমতির আবেদন করেছিলেন। তবে এখনো কোনো অনুমতি পাওয়া যায়নি। একই সময়ে গুজরাট থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আমদানিও বন্ধ হওয়ায় এবার পূজার মৌসুমে বাংলাদেশি ইলিশ পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশি ইলিশের জন্য ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ১৮টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। তবে রপ্তানির আগে দেশের অভ্যন্তরীণ ইলিশের সরবরাহ ও চাহিদা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ-ভারত ইলিশ বাণিজ্যে এবার দেখা দিয়েছে উল্টো চিত্র। একদিকে পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের অপেক্ষায় রয়েছেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের বাজারে ঘাটতি মেটাতে সাম্প্রতিক সময়ে গুজরাট থেকে ইলিশ এসেছে। ভারতীয় সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে।
কলকাতার ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, হাতে সময় কম থাকায় এবার দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি নাও আসতে পারে। ফলে পূজার মৌসুমে পদ্মার ইলিশের স্বাদ থেকে পশ্চিমবঙ্গের ক্রেতারা বঞ্চিত হতে পারেন।
