আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইভার-এ অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ, ভুয়া অর্ডার ও রিভিউসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তথ্যপ্রযুক্তি ও আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০০টি ফাইভার অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, এমন কর্মকাণ্ডের প্রভাব পড়ছে বৈধ বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের ওপরও। আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশি অ্যাকাউন্টগুলোর ওপর বাড়তি নজরদারি ও সাসপেনশনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
ফাইভার কমিউনিটি ফোরামে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সমন্বিতভাবে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, ভুয়া রিভিউ ও অর্ডারের মাধ্যমে মার্কেটপ্লেসের নিয়ম ভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
সাবেক কর্মীদের দাবি, চাকরি ছাড়ার পরও অনেক কর্মী তাদের নামে খোলা অনলাইন প্রোফাইলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাননি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিটোপিয়ার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফ্রিল্যান্সার এম এন নাহিদের একটি গিগে বিটোপিয়া-সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার দিয়ে তা বাতিলের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। অভিযোগটি বিটোপিয়া অস্বীকার করে এবং নাহিদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া একাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নামে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়েও সাবেক কর্মীদের বক্তব্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তাদের মতে, আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের আস্থা ধরে রাখতে মার্কেটপ্লেসে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি উঠেছে।
পরবর্তীতে নির্ধারিত ইমেইলে প্রশ্ন পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিটোপিয়ার পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইভার-এ অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ, ভুয়া অর্ডার ও রিভিউসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তথ্যপ্রযুক্তি ও আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০০টি ফাইভার অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, এমন কর্মকাণ্ডের প্রভাব পড়ছে বৈধ বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের ওপরও। আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশি অ্যাকাউন্টগুলোর ওপর বাড়তি নজরদারি ও সাসপেনশনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
ফাইভার কমিউনিটি ফোরামে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সমন্বিতভাবে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, ভুয়া রিভিউ ও অর্ডারের মাধ্যমে মার্কেটপ্লেসের নিয়ম ভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
সাবেক কর্মীদের দাবি, চাকরি ছাড়ার পরও অনেক কর্মী তাদের নামে খোলা অনলাইন প্রোফাইলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাননি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিটোপিয়ার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফ্রিল্যান্সার এম এন নাহিদের একটি গিগে বিটোপিয়া-সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার দিয়ে তা বাতিলের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। অভিযোগটি বিটোপিয়া অস্বীকার করে এবং নাহিদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া একাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নামে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়েও সাবেক কর্মীদের বক্তব্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তাদের মতে, আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের আস্থা ধরে রাখতে মার্কেটপ্লেসে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি উঠেছে।
পরবর্তীতে নির্ধারিত ইমেইলে প্রশ্ন পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিটোপিয়ার পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
