চুরি ও চুরির চেষ্টার ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভার মজলিশপুর এলাকায়। সম্প্রতি একের পর এক ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন চোরের উপদ্রব থেকে বাঁচতে কি শেষ পর্যন্ত বাড়িঘর ছেড়ে দিতে হবে? রাত হলেই অনেক বাসিন্দা চুরির আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে থাকছেন।
মজলিশপুর এলাকার সরকারি পুকুরপাড় রোডের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবু সাদিক জানান, ১৯৭৩ সালের দিকে এলাকায় ঘনঘন চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে মজলিশপুরে আবারও একই ধরনের চোরের হানা শুরু হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁর বাসার এক ভাড়াটিয়ার কক্ষের ছাদের নাট খুলে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে এক চোর। এ সময় শব্দ পেয়ে বাসার লোকজন জেগে উঠলে চোর পালিয়ে যায়।
একই এলাকার বাসিন্দা দিগেন্দ্র দেবনাথ বলেন, মজলিশপুরে দিন দিন চোরের উপদ্রব বাড়ছে। এতে স্থানীয়রা হতাশ হয়ে পড়েছেন। রাতে ঘুমাতেও ভয় লাগে বলে জানান তিনি।
মোনায়েম সর্দার বলেন, দুই দিন আগে তাঁদের বাসা থেকে একটি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
আজাদ মিয়া বলেন, চোরের উপদ্রবের কারণে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন না। কখন কী চুরি হয়ে যায়, সেই আতঙ্ক নিয়েই রাত কাটাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা এলাকায় চুরি-চুরির চেষ্টা বন্ধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুরি ও চুরির চেষ্টার ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভার মজলিশপুর এলাকায়। সম্প্রতি একের পর এক ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন চোরের উপদ্রব থেকে বাঁচতে কি শেষ পর্যন্ত বাড়িঘর ছেড়ে দিতে হবে? রাত হলেই অনেক বাসিন্দা চুরির আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে থাকছেন।
মজলিশপুর এলাকার সরকারি পুকুরপাড় রোডের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবু সাদিক জানান, ১৯৭৩ সালের দিকে এলাকায় ঘনঘন চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে মজলিশপুরে আবারও একই ধরনের চোরের হানা শুরু হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁর বাসার এক ভাড়াটিয়ার কক্ষের ছাদের নাট খুলে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে এক চোর। এ সময় শব্দ পেয়ে বাসার লোকজন জেগে উঠলে চোর পালিয়ে যায়।
একই এলাকার বাসিন্দা দিগেন্দ্র দেবনাথ বলেন, মজলিশপুরে দিন দিন চোরের উপদ্রব বাড়ছে। এতে স্থানীয়রা হতাশ হয়ে পড়েছেন। রাতে ঘুমাতেও ভয় লাগে বলে জানান তিনি।
মোনায়েম সর্দার বলেন, দুই দিন আগে তাঁদের বাসা থেকে একটি গ্যাস সিলিন্ডার চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
আজাদ মিয়া বলেন, চোরের উপদ্রবের কারণে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন না। কখন কী চুরি হয়ে যায়, সেই আতঙ্ক নিয়েই রাত কাটাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা এলাকায় চুরি-চুরির চেষ্টা বন্ধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
