২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা ব্যক্তিরাই জুলাইকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। তাঁর অভিযোগ, ঈদের পর থেকে সরকার জুলাই ফাউন্ডেশনে কোনো বাজেট দিচ্ছে না।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি সংগঠনটির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে মিছিল নিয়ে তাঁরা শহীদ মিনারে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। এ সময় শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
কর্মসূচি শেষে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা রেললাইন নির্মাণের জন্য ৮৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলা হলেও জুলাইকে স্মরণীয় রাখতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, বড় প্রকল্পের অর্থনৈতিক সুবিধা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছালেও জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখার উদ্যোগ অবহেলিত হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতে ইসলামী ৭০টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের অবস্থানে এসেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দলটি কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চান তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ভূমিকা নিয়েও বক্তব্য দেন জাবের। তাঁর ভাষ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দলটির উত্থান হয়েছে। সংসদে জুলাই গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দলটির সংসদ সদস্যরা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়ে জবাবদিহি প্রয়োজন।
নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ইনকিলাব মঞ্চ বিএনপি, এনসিপি কিংবা জামায়াতের দলীয় পরিচয়ে আবদ্ধ নয়। দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে যে কোনো দলের বিরোধিতা কিংবা সমর্থন করার ক্ষেত্রে তাঁরা দলীয় পরিচয়ের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দেবেন।
প্রসঙ্গত, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, শাপলা ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চ।
সংগঠনটির কর্মসূচির অংশ হিসেবে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পদযাত্রা করছেন নেতাকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার তাঁরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি পালন করেন।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা ব্যক্তিরাই জুলাইকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। তাঁর অভিযোগ, ঈদের পর থেকে সরকার জুলাই ফাউন্ডেশনে কোনো বাজেট দিচ্ছে না।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি সংগঠনটির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে মিছিল নিয়ে তাঁরা শহীদ মিনারে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। এ সময় শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
কর্মসূচি শেষে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ঢাকা থেকে কুমিল্লা রেললাইন নির্মাণের জন্য ৮৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা বলা হলেও জুলাইকে স্মরণীয় রাখতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, বড় প্রকল্পের অর্থনৈতিক সুবিধা একটি বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছালেও জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখার উদ্যোগ অবহেলিত হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতে ইসলামী ৭০টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের অবস্থানে এসেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দলটি কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চান তিনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ভূমিকা নিয়েও বক্তব্য দেন জাবের। তাঁর ভাষ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দলটির উত্থান হয়েছে। সংসদে জুলাই গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দলটির সংসদ সদস্যরা কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়ে জবাবদিহি প্রয়োজন।
নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ইনকিলাব মঞ্চ বিএনপি, এনসিপি কিংবা জামায়াতের দলীয় পরিচয়ে আবদ্ধ নয়। দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে যে কোনো দলের বিরোধিতা কিংবা সমর্থন করার ক্ষেত্রে তাঁরা দলীয় পরিচয়ের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দেবেন।
প্রসঙ্গত, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, শাপলা ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চ।
সংগঠনটির কর্মসূচির অংশ হিসেবে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পদযাত্রা করছেন নেতাকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার তাঁরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি পালন করেন।
