বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

‎নাসিরনগরের কৃষক হাবিবুর হত্যা মামলার ০২ পলাতক আসামি গ্রফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কৃষক হাবিবুর রহমান হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে এসআরবি-৯ ও এসআরবি-১৪-এর যৌথ অভিযানে নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৃথক স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বীর উত্তর এলাকার ইউনুছ মিয়ার ছেলে মো. সাগর (৩১) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের হীতপুর এলাকার প্রফুল্ল দাসের ছেলে নিরঞ্জন (৩৭)।এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, নাসিরনগর উপজেলার কালিউতা এলাকার কৃষক হাবিবুর রহমান সৌদি আরবে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকায় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে গত ১ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।নিখোঁজের কয়েকদিন পর হাবিবুরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। ফোনে জানানো হয়, তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের সদস্যরা কথা বলতে চাইলে বিভিন্ন অজুহাতে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।এর মধ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর নাসিরনগরের হরিপুর এলাকায় সততা ইটভাটার সামনে নদীর পানিতে অজ্ঞাত এক পুরুষের পচা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাবিবুরের স্ত্রী মরদেহটি তাঁর স্বামীর বলে শনাক্ত করেন।পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে হাবিবুরকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি-৯। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে নেত্রকোনা সদর থানার ঠাকুরকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়।অন্যদিকে একই রাতে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে সরাইল থানার শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৈবর্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিরঞ্জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনই মামলার তদন্তে শনাক্ত হওয়া পলাতক আসামি। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের নাসিরনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎নাসিরনগরের কৃষক হাবিবুর হত্যা মামলার ০২ পলাতক আসামি গ্রফতার