শ্রাবণের পক্ষে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে গত ১৫ সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এতে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন হাসননগর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সেজুল মিয়া।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে প্রধান সড়কে একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং শ্রাবণসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন। ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, কে প্রথম হামলা করেছিল এবং শ্রাবণ কী পরিস্থিতিতে সেখানে জড়িয়েছিল এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানানো হয়।পরিবারের লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, শ্রাবণ একজন শিক্ষার্থী। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাকে সামাজিকভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবি ও পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও অধিকার যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়।শ্রাবণের বাবা জুনাব আলীকে নিয়েও পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়া হয়। তারা দাবি করেন, নতুন হাসননগর এলাকার ব্যবসায়ী ও সামাজিকভাবে পরিচিত জুনাব আলীর ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করেই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান পরিবারের সদস্যরা।এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আরিফ উল্লাহ বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তহুর আলী, আন্জব আলী, তহির মিয়া, তফিক মিয়া, ময়না মিয়া, মাহমুদ আলী, রেজুয়ান, ফরিদ মিয়া, সাঈদূল ইসলাম, আকিনুর, আমিন, ফরিদ আলী, জামাল, সেজুল ও মাহিবুরসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।