শিক্ষার্থীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিলে শিক্ষকেরও জবাবদিহি চাই তাহেরি
মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্ক, শাসনের অধিকার এবং শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি।তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীকে শাসন করার অধিকার রাখেন, তাহলে কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করলে তাঁকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে কী বললেন তাহেরি?মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বলেন, “শিক্ষার্থীকে শাসন করার অধিকার যদি শিক্ষক রাখেন, শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীকে অনৈতিক প্রপোজ করলে সেই শিক্ষকের গালে থাপ্পড় দেওয়ার অধিকারও শিক্ষার্থীর বাবা রাখেন।”তাঁর এই বক্তব্যে শিক্ষকের দায়িত্বশীল আচরণ এবং শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা জরুরিশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্ক হওয়া উচিত আস্থা, সম্মান ও নিরাপত্তার ভিত্তিতে। কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করা জরুরি।বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথও সুগম হবে।