সিটির রায়ের পর ক্ষতিপূরণ নিয়ে নড়েচড়ে বসছে ক্লাবগুলো
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের রায় ঘিরে ইংলিশ ফুটবলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। লিভারপুল, আর্সেনাল ও টটেনহামও আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে দায়ী সাব্যস্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। তবে এখনো কোনো শাস্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি এবং ম্যানচেস্টার সিটি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে বলে জানিয়েছে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ২০১১-১২ ও ২০১৭-১৮ মৌসুম। ওই দুই মৌসুমেই সিটির পেছনে থেকে লিগ শেষ করেছিল ইউনাইটেড। ২০১১-১২ মৌসুমে সমান পয়েন্টের পর গোল ব্যবধানে সিটি শিরোপা জিতেছিল।লিভারপুল ২০১৯ ও ২০২২ সালে এবং আর্সেনাল ২০২৩ ও ২০২৪ সালে সিটির পেছনে থেকে মৌসুম শেষ করেছিল। মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ দাবির বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।তবে পুরোনো কোনো শিরোপা বাতিল বা অন্য ক্লাবকে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য শাস্তি হিসেবে জরিমানা, পয়েন্ট কর্তন কিংবা আরও কঠোর ক্রীড়াগত ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। মার্কাও উল্লেখ করেছে, এসব এখনো সম্ভাব্য পরিস্থিতি; চূড়ান্ত শাস্তি নির্ধারণ করেনি সংশ্লিষ্ট স্বাধীন কমিশন। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক খেলোয়াড় দাভিদ দে হেয়া ও রিও ফার্ডিনান্ড। তারা সম্ভাব্য পুরোনো শিরোপা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন।অন্যদিকে লিভারপুলের অ্যান্ড্রু রবার্টসন ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে বলেছেন, আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের দায়ে সিটির খেলোয়াড়দের দায়ী করা উচিত নয়।
এখন মূল বিষয় হলো সিটির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তি কী হয় এবং আপিলের পর সিদ্ধান্ত কী দাঁড়ায়। এরপরই অন্য ক্লাবগুলোর সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণ বা আইনি পদক্ষেপ কতটা এগোয়, তা স্পষ্ট হতে পারে।