মাদ্রাসার শিশুকে চুমুর ঘটনায় ন্যায়বিচারের আহ্বান মুফতি আবুল ফজল হবিগঞ্জীর
মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে চুমু দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছেন মুফতি আবুল ফজল হবিগঞ্জী। এ বিষয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্ট্যাটাসে তিনি অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তি, দল কিংবা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বিবেচনা না করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।স্ট্যাটাসে মুফতি আবুল ফজল হবিগঞ্জী লিখেছেন, “অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধের ভিত্তিতেই বিচার হওয়া উচিত। দল বা প্রতিষ্ঠানের ভেদে বিচারের মানদণ্ড বদলে গেলে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতার দাবি কতটা গ্রহণযোগ্য? প্রকৃত নৈতিকতা হলো—সবার জন্য একই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।”নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নতাঁর বক্তব্যে অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচারের মানদণ্ডে বৈষম্য থাকা উচিত নয় এমন বার্তাই তাঁর স্ট্যাটাসে উঠে এসেছে।শিশুর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা গুরুত্বপূর্ণঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আবেগ, প্রচার কিংবা পরিচয়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।বিশেষ করে ঘটনাটি শিশু শিক্ষার্থীকে ঘিরে হওয়ায় শিশুটির নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।