শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

সাভারে বাসে আগুন: বাস মালিক-সাংবাদিকসহ ৪০ জন আসামি

ঢাকার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় বাসটির মালিক হাবিবুর রহমান হৃদয় ও সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান খানের নামও রয়েছে। সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্বাস উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এজাহারে বাসের মালিক হাবিবুর রহমান হৃদয়কে ২ নম্বর এবং টাইমস অব বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সভাপতি মো. কামরুজ্জামান খানকে ১৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাসটির ইঞ্জিন ও গিয়ারবক্স খুলে সেটি সড়কের পাশে রাখা হয়েছিল। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশনা, সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতায় বাসটিতে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো মামলার এজাহারে থাকা বক্তব্য; এর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে মামলায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক কামরুজ্জামান খান। তাঁর দাবি, গত তিন বছর ধরে তিনি সাভারে থাকেন না এবং ঘটনার সময়ও সেখানে ছিলেন না। তিনি বলেন, গত কোরবানির ঈদের পর থেকে সাভার তো দূরের কথা, গাবতলীও পার হননি। কামরুজ্জামানকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও ক্র্যাব উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মামলার এজাহারে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উল্লেখ করা হয়নি এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানিয়েছেন, কারও সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া গেলে তদন্তের পর আসামির তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি ঘটে ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করে। বাসটি খালি থাকায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সাভারে বাসে আগুন: বাস মালিক-সাংবাদিকসহ ৪০ জন আসামি