তাসলিমা খাতুনের বদলি ও ডেপুটেশন নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
দৈনিক ইচ্ছামতি’ পত্রিকায় পাবনার বেড়া উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ তাসলিমা খাতুনের বদলি ও ডেপুটেশন নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে ওই শিক্ষিকাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিবাদকারীরা।প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদে অভিযোগ করা হয়েছে, ডেপুটেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও শিক্ষিকা তাসলিমা খাতুন বেআইনিভাবে কর্মস্থলে অবস্থান করেছেন এবং ডেপুটেশন বাতিল না করেই তাঁকে স্থায়ীভাবে বদলি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবাদলিপি অনুযায়ী, ডেপুটেশন বাতিলের চিঠি পাওয়ার পর টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে যোগদান করেন ওই শিক্ষিকা।প্রতিবাদলিপিতে আরও দাবি করা হয়, শিক্ষিকা তাসলিমা খাতুনের বদলি ও ডেপুটেশন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত বিধিমালা এবং প্রশাসনিক আদেশ অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়।কর্মস্থলে যোগদানের বিষয়ে স্থানীয়দের আপত্তির যে তথ্য সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে, তা কাল্পনিক ও মনগড়া বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবাদলিপিতে। এতে বলা হয়, বিষয়টি মূলত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত। শিক্ষিকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নয়, বরং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে নিয়ম মেনে যোগদান করেন।এ ছাড়া ডেপুটেশন এবং পরবর্তী সময়ে জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির প্রতিটি পদক্ষেপ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কার্যকর করা হয়েছে বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়, তথ্য যাচাই না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে, যা একজন শিক্ষিকার পেশাগত ও সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ এবং ভুল সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় মনগড়া সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।