সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

দিরাইয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার খোঁজ নেই, ৪ দিন তালাবদ্ধ কক্ষ

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মিঠুন চন্দ্র দে-র কর্মস্থলে অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ছুটি ছাড়াই নিয়মিত অফিসে না থাকার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় খামারিরা। এতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে প্রায়ই কর্মকর্তাকে পাওয়া যায় না। সরেজমিনে গত মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও রোববার টানা চার দিন কার্যালয়ে গিয়ে তার কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।এ বিষয়ে কার্যালয়ের ড্রেসার হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, তিনি কখন কোথায় যান, তা তিনি বলতে পারেন না। মাঝে মধ্যে মিটিংয়ে যাওয়ার কথা জানান বলেও দাবি করেন তিনি।স্থানীয় রফিক মিয়া, আব্দুল মুহিত ও দিলু মিয়া বলেন, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে সেবা না পাওয়ায় তারা সমস্যায় পড়েছেন। গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির চিকিৎসা নিয়ে বিপাকে রয়েছেন তারা।সেবা নিতে আসা কাওসার খান বলেন, গরুর ওষুধ ও পরামর্শের জন্য তিনি প্রায়ই কার্যালয়ে আসেন। তবে কর্মকর্তার দেখা পান না।অভিযোগের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মিঠুন চন্দ্র দে বলেন, তিনি দিরাই ও শাল্লা দুই উপজেলার দায়িত্বে রয়েছেন। বিভিন্ন মিটিংয়ের কারণে তাকে বাইরে থাকতে হয় বলেও জানান তিনি।তবে কর্মস্থলে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, তিনি কখন অফিসে থাকেন বা না থাকেন, সেটি জানার বিষয় নয়।দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জীব সরকার বলেন, কর্মকর্তার অনুপস্থিতির বিষয়টি তার জানা নেই। ছুটির বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় বলতে পারবে।জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিজানুর রহমান মিয়া বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গতকাল ছুটিতে ছিলেন। এর আগে তিনি ছুটি নেননি এবং বুধবার সুনামগঞ্জে একটি মিটিংয়ে ছিলেন। নিয়মিত অফিসে না যাওয়ার অভিযোগটি তিনি প্রথমবার শুনেছেন জানিয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি মিঠুন চন্দ্র দে-র সঙ্গে কথা বলবেন।

দিরাইয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার খোঁজ নেই, ৪ দিন তালাবদ্ধ কক্ষ