শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

কুয়েত প্রবাসীর মরদেহে চাঁদা, সতর্ক দূতাবাস

কুয়েতে মারা যাওয়া আকামাবিহীন প্রবাসীদের মরদেহ দেশে পাঠানোর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা তোলা নিয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ ধরনের প্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রোববার (৪ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে কুয়েতে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের এ বিষয়ে সতর্ক করে দূতাবাস।দূতাবাস জানায়, সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে কুয়েতে আকামাবিহীন কোনো প্রবাসী কর্মী মারা গেলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য চাঁদা বা অর্থ সংগ্রহে উৎসাহ দিচ্ছে।দূতাবাস বলেছে, এ ধরনের অর্থ সংগ্রহের কার্যক্রম আইন ও বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে অর্থ সংগ্রহ বা প্রদানের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ার জন্য প্রবাসীদের অনুরোধ করা হয়েছে।কুয়েতের শ্রম আইন অনুযায়ী, ‘১৮ নম্বর ভিসায়’ কর্মরত কোনো প্রবাসী মারা গেলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বহন করার কথা।অন্যদিকে, ‘২০ নম্বর ভিসায়’ গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যয় বহন করেন সংশ্লিষ্ট কফিল বা নিয়োগকর্তা।দূতাবাস জানিয়েছে, কোনো কর্মীর কফিল না থাকলে অথবা আকামাবিহীন অবস্থায় কোনো বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হলে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস নিজস্ব আর্থিক সহায়তায় তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।তাই কোনো আকামাবিহীন প্রবাসী মারা গেলে পরিবার, স্বজন বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাঁদা তোলার প্রয়োজন নেই। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।প্রবাসীদের উদ্দেশে দূতাবাস বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এ ধরনের চাঁদা সংগ্রহের আহ্বানে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দূতাবাসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে। এতে প্রতারণার ঝুঁকি এড়ানোর পাশাপাশি মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়াও নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

কুয়েত প্রবাসীর মরদেহে চাঁদা, সতর্ক দূতাবাস