চেক পোস্ট

মূল পাতা

খেলাধুলা

নতুন করে নিজেকে প্রমাণের কিছু নেই: আক্ষেপের সুরে মুমিনুল

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
নতুন করে নিজেকে প্রমাণের কিছু নেই: আক্ষেপের সুরে মুমিনুল

বিপিএল ২০২৪ আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে মুমিনুল হককে নেয়নি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি, পরে রংপুর রাইডার্স তাকে শেষ মুহূর্তে দলে যোগ করলেও ২০২৫ আসরে তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নয়, সাদা বলের ক্রিকেটেও উপেক্ষিত মুমিনুল। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)-এও বড় কোনো দল তাকে নিতে আগ্রহ দেখায়নি। পরে কম পারিশ্রমিকে আবাহনী লিমিটেডে যোগ দেন।

তবে মুমিনুল মাঠে পারফর্ম করে দেখাচ্ছেন যে, তিনি এখনও ৫০ ওভারের ফরম্যাটেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। আবাহনীর হয়ে শেষ তিন ম্যাচে তিনি অবদান রেখেছেন এবং দুটি ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন।

মুমিনুল বলেছেন, “আমার নিজেকে প্রমাণের আর কিছু নেই। আমি কী পারি, কী পারি না, এটা নতুন করে দেখিয়ে দেওয়ার কিছু আছে বলে মনে করি না। আমার কাজ খেলা, মাঠে ভালো পারফর্ম করা। আমি সেই চেষ্টাই করি। সেটা যে ফরম্যাটেই হোক।”

এছাড়া, তার সেরা পারফরম্যান্স ছিল ৭৪ বলে ৯২ রান করা এবং গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ৪ উইকেট নেওয়া।

মুমিনুল আরও জানান, “বৃষ্টি ভেজা উইকেট একটু কঠিন ছিল। বোলারদের বল মুভ ও টার্ন করেছে। আমি তা কাজে লাগিয়েছি।” কিন্তু তার জন্য সবচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিল ম্যাচ শেষ করে আসতে না পারার বিষয়ে, “আগের ম্যাচে ৩৫ রানে নটআউট ছিলাম। আজও যদি ম্যাচ শেষ করে ফিরতে পারতাম, সেটা ভালো লাগতো আরও।”

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


নতুন করে নিজেকে প্রমাণের কিছু নেই: আক্ষেপের সুরে মুমিনুল

প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৫

featured Image

বিপিএল ২০২৪ আসরের প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে মুমিনুল হককে নেয়নি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি, পরে রংপুর রাইডার্স তাকে শেষ মুহূর্তে দলে যোগ করলেও ২০২৫ আসরে তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নয়, সাদা বলের ক্রিকেটেও উপেক্ষিত মুমিনুল। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)-এও বড় কোনো দল তাকে নিতে আগ্রহ দেখায়নি। পরে কম পারিশ্রমিকে আবাহনী লিমিটেডে যোগ দেন।

তবে মুমিনুল মাঠে পারফর্ম করে দেখাচ্ছেন যে, তিনি এখনও ৫০ ওভারের ফরম্যাটেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। আবাহনীর হয়ে শেষ তিন ম্যাচে তিনি অবদান রেখেছেন এবং দুটি ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন।

মুমিনুল বলেছেন, “আমার নিজেকে প্রমাণের আর কিছু নেই। আমি কী পারি, কী পারি না, এটা নতুন করে দেখিয়ে দেওয়ার কিছু আছে বলে মনে করি না। আমার কাজ খেলা, মাঠে ভালো পারফর্ম করা। আমি সেই চেষ্টাই করি। সেটা যে ফরম্যাটেই হোক।”

এছাড়া, তার সেরা পারফরম্যান্স ছিল ৭৪ বলে ৯২ রান করা এবং গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ৪ উইকেট নেওয়া।

মুমিনুল আরও জানান, “বৃষ্টি ভেজা উইকেট একটু কঠিন ছিল। বোলারদের বল মুভ ও টার্ন করেছে। আমি তা কাজে লাগিয়েছি।” কিন্তু তার জন্য সবচেয়ে বড় আক্ষেপ ছিল ম্যাচ শেষ করে আসতে না পারার বিষয়ে, “আগের ম্যাচে ৩৫ রানে নটআউট ছিলাম। আজও যদি ম্যাচ শেষ করে ফিরতে পারতাম, সেটা ভালো লাগতো আরও।”


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত