‘মন্ত্রীর নির্দেশের দুই মাসেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ডা. চিশতীর বিরুদ্ধে’ শিরোনামে গত ৪ অক্টোবর এশিয়া পোস্টে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মইনুল হাসান চিশতী।
প্রতিবাদপত্রে ডা. চিশতী দাবি করেন, মন্ত্রীর অভিযানের পরও সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়। তার দাবি, ওই সময়ের আগেই তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তবে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ-সংক্রান্ত নথির পূর্ণাঙ্গ ও যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে তার পদত্যাগের আবেদন, তা গ্রহণ এবং চাকরি থেকে অব্যাহতির বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। প্রাসঙ্গিক নথির আলোকে বিষয়গুলো উপস্থাপন না করে এমন কিছু বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।
প্রতিবাদপত্রে অর্থের বিনিময়ে শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশিত অভিযোগও অস্বীকার করেন ডা. চিশতী।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনে একটি সিন্ডিকেট, অর্থের বিনিময়ে শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ স্পষ্ট করা হয়নি।
ডা. চিশতীর দাবি, যথাযথ তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ করা হলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
‘মন্ত্রীর নির্দেশের দুই মাসেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ডা. চিশতীর বিরুদ্ধে’ শিরোনামে গত ৪ অক্টোবর এশিয়া পোস্টে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মইনুল হাসান চিশতী।
প্রতিবাদপত্রে ডা. চিশতী দাবি করেন, মন্ত্রীর অভিযানের পরও সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়। তার দাবি, ওই সময়ের আগেই তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তবে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ-সংক্রান্ত নথির পূর্ণাঙ্গ ও যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে তার পদত্যাগের আবেদন, তা গ্রহণ এবং চাকরি থেকে অব্যাহতির বিষয়গুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। প্রাসঙ্গিক নথির আলোকে বিষয়গুলো উপস্থাপন না করে এমন কিছু বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।
প্রতিবাদপত্রে অর্থের বিনিময়ে শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশিত অভিযোগও অস্বীকার করেন ডা. চিশতী।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনে একটি সিন্ডিকেট, অর্থের বিনিময়ে শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ স্পষ্ট করা হয়নি।
ডা. চিশতীর দাবি, যথাযথ তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ করা হলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে।
