শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

একসঙ্গে প্রতিরোধের চুক্তি

হুতিদের হামলা: সৌদি পাশে তুরস্ক-পাকিস্তান, জরুরি বৈঠক

হুতিদের হামলা: সৌদি পাশে তুরস্ক-পাকিস্তান, জরুরি বৈঠক
ইয়েমেনের রাজধানী সানার উপকণ্ঠে লেবানন ও ইরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে হুতি বাহিনীর সমাবেশ। ছবি : সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর সৌদি আরব লক্ষ্য করে হামলা বাড়ার মধ্যে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে জরুরি সামরিক বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদ। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের সামরিক প্রধানদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৈঠকের তারিখ ও সম্ভাব্য সামরিক সহায়তার ধরন এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি।

তুরস্কের চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওগলু সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও রিয়াদে বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

নিউইয়র্কে সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর সামরিক প্রধানদের জরুরি বৈঠকের উদ্যোগের কথা জানানো হয়। বৈঠকে সৌদি আরবকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তিতে তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানোর কথা রয়েছে।

তবে চুক্তির আওতায় সরাসরি যুদ্ধের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে এমন তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সামরিক প্রধানদের আসন্ন বৈঠকে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে।

এর আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, হুতি হামলার কারণে সৌদি আরবের প্রয়োজন দেখা দিলে চুক্তির আওতায় সামরিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে তুরস্ক প্রস্তুত। পাকিস্তানও চুক্তির শর্ত পালনের কথা জানিয়েছে।

তুরস্ক ও পাকিস্তান সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিলে তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন হুতি নেতা মোহাম্মদ আল-বুখাইতি। তবে এটি হুতিদের পক্ষের বক্তব্য; তুরস্ক ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য ভূমিকা এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির বিভিন্ন স্থাপনা ও শহরকে লক্ষ্য করেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর রিয়াদমুখী একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। হুতিরাও সৌদি ভূখণ্ডের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে।

এদিকে ফ্রান্সও ইয়ানবু তেল স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর কথা জানিয়েছে। ফলে হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তা সহায়তা নিয়ে আঞ্চলিক তৎপরতা আরও বাড়ছে। 

#সৌদি_আরব #হুতি_হামলা #মক্কা_প্রতিরক্ষা_জোট

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হুতিদের হামলা: সৌদি পাশে তুরস্ক-পাকিস্তান, জরুরি বৈঠক

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর সৌদি আরব লক্ষ্য করে হামলা বাড়ার মধ্যে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে জরুরি সামরিক বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদ। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশের সামরিক প্রধানদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বৈঠকের তারিখ ও সম্ভাব্য সামরিক সহায়তার ধরন এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি।

তুরস্কের চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওগলু সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও রিয়াদে বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

নিউইয়র্কে সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর সামরিক প্রধানদের জরুরি বৈঠকের উদ্যোগের কথা জানানো হয়। বৈঠকে সৌদি আরবকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তিতে তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানোর কথা রয়েছে।

তবে চুক্তির আওতায় সরাসরি যুদ্ধের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে এমন তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সামরিক প্রধানদের আসন্ন বৈঠকে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে।

এর আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছিলেন, হুতি হামলার কারণে সৌদি আরবের প্রয়োজন দেখা দিলে চুক্তির আওতায় সামরিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে তুরস্ক প্রস্তুত। পাকিস্তানও চুক্তির শর্ত পালনের কথা জানিয়েছে।

তুরস্ক ও পাকিস্তান সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিলে তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন হুতি নেতা মোহাম্মদ আল-বুখাইতি। তবে এটি হুতিদের পক্ষের বক্তব্য; তুরস্ক ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য ভূমিকা এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির বিভিন্ন স্থাপনা ও শহরকে লক্ষ্য করেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর রিয়াদমুখী একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। হুতিরাও সৌদি ভূখণ্ডের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে।

এদিকে ফ্রান্সও ইয়ানবু তেল স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর কথা জানিয়েছে। ফলে হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তা সহায়তা নিয়ে আঞ্চলিক তৎপরতা আরও বাড়ছে। 


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত