বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনে এক ঘণ্টার ব্যবধানে মায়ের মৃত্যু, পাশাপাশি দাফন

সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনে এক ঘণ্টার ব্যবধানে মায়ের মৃত্যু, পাশাপাশি দাফন
ছবি: প্রতিকী

বগুড়ার সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মারা গেছেন মা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ধর্মকুল গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে মা ও ছেলেকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

মারা যাওয়া মায়ের নাম তারা বেগম (৬২)। তাঁর ছেলে তারাজুল ইসলামের বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।

পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহরে রিকশা চালাতে যান তারাজুল ইসলাম। বিকেলে বুকে ব্যথা অনুভব করার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়।

ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই মা তারা বেগম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে গ্রামের মসজিদের মাইকে ছেলের মৃত্যুর খবর প্রচার করা হলে তিনি আরও অস্থির হয়ে পড়েন। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরও মৃত্যু হয়।

অল্প সময়ের ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে ধর্মকুল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোকের আবহ।

বালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। পরে মা ও ছেলেকে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনে এক ঘণ্টার ব্যবধানে মায়ের মৃত্যু, পাশাপাশি দাফন

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার সোনাতলায় ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার প্রায় এক ঘণ্টা পর মারা গেছেন মা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ধর্মকুল গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে মা ও ছেলেকে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।


মারা যাওয়া মায়ের নাম তারা বেগম (৬২)। তাঁর ছেলে তারাজুল ইসলামের বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।


পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শহরে রিকশা চালাতে যান তারাজুল ইসলাম। বিকেলে বুকে ব্যথা অনুভব করার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়।


ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকেই মা তারা বেগম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে গ্রামের মসজিদের মাইকে ছেলের মৃত্যুর খবর প্রচার করা হলে তিনি আরও অস্থির হয়ে পড়েন। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরও মৃত্যু হয়।


অল্প সময়ের ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে ধর্মকুল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোকের আবহ।


বালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, ছেলের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। পরে মা ও ছেলেকে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত