সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে সেবা না দিলে তাদের অনুমোদনও বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর কার্যক্রমও নিয়মিত তদারকি করা হবে। মানসম্মতভাবে পরিচালিত না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি বলেন, সাপের কামড়ের পর কোনো ধরনের বিলম্ব না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে বলে জানান তিনি।
পরিদর্শনের সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি এবং আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে সেবা না দিলে তাদের অনুমোদনও বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর কার্যক্রমও নিয়মিত তদারকি করা হবে। মানসম্মতভাবে পরিচালিত না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি বলেন, সাপের কামড়ের পর কোনো ধরনের বিলম্ব না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে বলে জানান তিনি।
পরিদর্শনের সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি এবং আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
