লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার নবীগঞ্জ বাজারে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে বাজারের প্রধান সড়ক সংকুচিত হয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার ১ নম্বর চরকালকিনি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজের কারণে সড়কের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে ওই স্থানে ছোট-বড় যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ও মোড় নেওয়া ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই প্রভাব খাটিয়ে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ওই স্থানে চরম যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইউসুফ। তার দাবি, “আমি সরকারি কোনো জায়গা দখল করিনি। আমার নিজের জায়গাতেই দোকানঘর নির্মাণ করছি।”
বিষয়টি সম্পর্কে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রশাসন আগে অবগত ছিল না। সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রথম বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তথ্য যাচাই করে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং বাজারে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিষয়টি দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সরকারি জায়গা উদ্ধারের পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার নবীগঞ্জ বাজারে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে বাজারের প্রধান সড়ক সংকুচিত হয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার ১ নম্বর চরকালকিনি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজের কারণে সড়কের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে ওই স্থানে ছোট-বড় যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ও মোড় নেওয়া ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই প্রভাব খাটিয়ে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ওই স্থানে চরম যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইউসুফ। তার দাবি, “আমি সরকারি কোনো জায়গা দখল করিনি। আমার নিজের জায়গাতেই দোকানঘর নির্মাণ করছি।”
বিষয়টি সম্পর্কে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে প্রশাসন আগে অবগত ছিল না। সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রথম বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তথ্য যাচাই করে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং বাজারে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিষয়টি দ্রুত সরেজমিনে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সরকারি জায়গা উদ্ধারের পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
